৭ নদীর পানি বিপদ সীমার ওপরে বরিশালে দমকা হাওয়াসহ বজ্রবৃষ্টি: বন্যা পরিস্থিতি ডেস্ক রিপোর্ট
 ফাইল ফটো
বরিশাল ও চট্টগ্রাম বিভাগের অনেক জায়গায় মঙ্গলবার সকাল ৯টা থেকে আগামী ২৪ ঘণ্টায় অস্থায়ী দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। এছাড়া রাজশাহী, রংপুর, ঢাকা ও সিলেট বিভাগের অধিকাংশ জায়গায় অস্থায়ী দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে।
আগামী ৭২ ঘণ্টার পূর্বাভাসে আবহাওয়া অধিদফতর সূত্রে এ তথ্য জানাগেছে।
আবহাওয়া অধিদফতর আরো জানায়- সারাদেশে দিন ও রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে। আগামী ৭২ ঘণ্টায় আবহাওয়ার সামান্য পরিবর্তন হতে পারে।
আবহাওয়া দৃশ্যপটের সংক্ষিপ্তসারে বলা হয়, মৌসুমী বায়ুর অক্ষ পাঞ্জাব, হরিয়ানা, উত্তরপ্রদেশ, বিহার, হিমালয়ের পাদদেশীয় পশ্চিমবঙ্গ এবং বাংলাদেশের উত্তরাংশ হয়ে উত্তর-পূর্ব দিকে আসাম পর্যন্ত বিস্তৃত।
এর একটির বর্ধিতাংশ উত্তরপশ্চিম বঙ্গোপসাগর পর্যন্ত বিস্তৃত রয়েছে। মৌসুমী বায়ু বাংলাদেশের উপর মোটামুটি সক্রিয় এবং উত্তর বঙ্গোপসাগরের অন্যত্র মাঝারি অবস্থায় রয়েছে।
এদিকে বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ডের বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র বলছে, ব্রহ্মপুত্র-যমুনা, গঙ্গা-পদ্মা এবং মেঘনা নদীসহ ঢাকা সংলগ্ন নদ-নদীগুলোর পনি আগামী ৭২ ঘণ্টায় আরো বৃদ্ধি পেতে পারে।
মঙ্গলবার সকাল ৬টার তথ্য অনুযায়ী গাইবান্ধায় ঘাঘট নদীর পানি বেড়ে বিপদসীমার ২৪ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছিল। ব্রহ্মপুত্র অববাহিকার প্রধান নদী যমুনা ও ব্রহ্মপুত্রের পানি চারটি পয়েন্টে বিপদসীমার উপর দিয়ে বইছিল। চিলমারী পয়েন্টে ব্রহ্মপুত্র বইছিল বিপদ সীমার ৪ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে।
আর যমুনা নদী বাহাদুরাবাদ ও সারিয়াকান্দি পয়েন্টে যথাক্রমে বিপদ সীমার ২৭ ও ৫৭ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছিল। সিরাজগঞ্জে যমুনা বইছে বিপদসীমার সমতলে। এছাড়া মঙ্গলবার সকালে এলাসিন ঘাট পয়েন্টে ধলেশ্বরী নদী বিপদ সীমার ১১২ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে বইছিল।
গত কয়েক দিনে গঙ্গা অববাহিকার নদীগুলোর পানিও ধারাবাহিকভাবে বাড়ছে। বাঘাবাড়ি পয়েন্টে আত্রাই নদী প্রবাহিত হচ্ছে বিপদ সীমার ৩৬ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে। ভারত থেকে আসা পাহাড়ি ঢলের কারণে মেঘনা অববাহিকার অধিকাংশ নদনদীর পানি বাড়ছে।
সুরমা নদী কানাইঘাটে বিপদ সীমার ৫৫ সেন্টিমিটার ও সুনামগঞ্জে ৩৮ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে বইছে। জারিয়া জাঞ্জাইলে কংশ নদী প্রবাহিত হচ্ছে বিপদসীমার ৬৭ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে।
এদিকে পানি বাড়ার ফলে অণ্য এলাকার মত ভোলা ও পটুয়াখলী জেলার নদী তীরবর্তী চর ও নিম্নাঞ্চলের নতুন নতুন এলাকা প্লাবিত হওয়া খবর পাওয়া গেছে।
সম্পাদনা: বরি/প্রেস/মপ |