ছাত্রলীগ কর্মী বলে কথা!
বরগুনা, ৪ ডিসেম্বর (মনির হোসেন কামাল/আমাদের বরিশাল ডটকম): পাওনা টাকা ফেরত চাওয়ায় পাওনাদারকে পিটিয়ে পুলিশের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠিয়েছে বামনা উপজেলার ছাত্রলীগ কর্মী তুহিন। পুলিশ পাওনাদার সোহেলকে থানায় নিয়ে চিকিৎসার ব্যবস্থা না করেই উল্টো ইভটিজিংয়ের মামলায় জড়িয়ে ফাঁসানোর চেষ্টা করে। পরে ৪ ডিসেম্বর রোববার ৫৪ ধারায় সোহেলকে কারাগারে পাঠানো হয়। সোহেল বামনা উপজেলার কলাগাছিয়া গ্রামের হতদরিদ্র রুটি বিক্রেতা আবদুল মতিনের ছেলে।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, সোহেলের কাছ থেকে বেতাগী উপজেলার বদনীখালী গ্রামের সুলতান হাওলাদারের ছেলে ছাত্রলীগ কর্মী তুহিন ৬ হাজার টাকা ধার নিয়েছিল। ৩ ডিসেম্বর শনিবার সকালে পাওনা টাকা দাবী করলে তুহিন ছাত্রলীগের বন্ধুদের নিয়ে সদর রোডের বন্ধুজন মোবাইল সেন্টারের সামনে সোহেলকে বেধরক পিটুনী দেয়। গুরুত্বর আহত অবস্থায় বামনার দুই সংবাদকর্মী ও স্থানীয়রা সোহেলকে উদ্ধার করে পুলিশে খবর দেয়। থানা পুলিশ সোহেলকে থানায় নিয়ে চিকিৎসার ব্যবস্থা না করেই উল্টো ইভটিজিংয়ের মামলায় জড়িয়ে ফাঁসানোর চেষ্টা করে। পরে ৫৪ ধারায় ৪ ডিসেম্বর রোববার সোহেলকে কারাগারে পাঠানো হয়।
স্বাক্ষী খলিলুর রহমান বলেন, আমার উপস্থিতিতেই তুহিনকে ৬ হাজার টাকা ধার দেয়া হয়েছে। স্বাক্ষী হিসেবে স্ট্যাম্পে আমার স্বাক্ষরও আছে।
ছাত্রলীগ কর্মী তুহিন টাকা ধার নেবার কথা অস্বীকার করে জানায়, তার বোনকে উত্যক্ত করায় সোহেলকে মারধর করা হয়েছে।
এ ব্যাপারে বামনা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আজম খান ফারুকী আমাদের বরিশাল ডটকমকে জানান, তুহিনকে মারধর করায় সোহেলকে ছাত্রলীগ কর্মীরা গণপিটুনী দিয়েছে।
–
(আমাদের বরিশাল ডটকম/বরগুনা/মহো/তাপা)
সম্পাদনা: সেন্ট্রাল ডেস্ক |