মঠবাড়িয়ায় ছাত্রীর শ্লীলতাহানীর দায়ে শিক্ষক বরখাস্ত
মঠবাড়িয়া প্রতিনিধি :: পিরোজপুরের মঠবাড়িয়া উপজেলার দধিভাঙ্গা আব্দুল হামিদ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের এক ছাত্রীকে (১৫) শ্লীলতাহানীর দায়ে ঐ বিদ্যালয়ের ধর্মীয় শিক্ষক জাকির হোসেনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। যৌন হয়রাণির শিকার মেয়েটি ওই বিদ্যালয়ের মানবিক বিভাগের দশম শ্রেণীর ছাত্রী। সে পার্শ্ববর্তী বামনা উপজেলার বড়তালেশ্বর গ্রামের এক দরিদ্র কৃষকের মেয়ে।
নির্যাতিত মেয়েটির পরিবার সূত্রে জানা গেছে, মঠবাড়িয়া উপজেলার গিলাবাদ গ্রামের গোলাম মোস্তফা মল্লিকের ছেলে ও স্থানীয় দধিভাঙ্গা আব্দুল হামিদ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ধর্মীয় শিক্ষক মো. জাকির হোসেন মল্লিক গত ১৯ এপ্রিল বৃহষ্পতিবার স্কুল ছুটির পর বিকেলে মেয়েটিকে প্রাইভেট পড়ানোর কথা বলে দধিভাঙ্গা বাজারে তার নিজ ভাড়াটিয়া বাসায় ডেকে নেয়। এরপর ওই শিক্ষক জোড় করে ঐ ছাত্রীর শ্লীলতাহানী ঘটায়। এ ঘটনার পর লজ্জায় মেয়েটি স্কুলে আসা বন্ধ করে দিয়ে তার অভিভাবকদের জানায়।
ঘটনার কয়েকদিন পরে শিক্ষক জাকিরের স্ত্রী হালিমা আক্তার বিষয়টি জানতে পেরে ওই স্কুল ছাত্রীকে বাসায় ডেকে নিয়ে এ ঘটনা ধামাচাপা দিতে ও কাউকে না জানাতে ভয়ভীতি প্রদর্শন করে। অপরদিকে প্রায় এক মাস পর ১৪ মে সোমবার এ বিষয়টি স্কুল কর্তৃপক্ষ জানতে পেরে মেয়েটিকে স্কুলে ফিরিয়ে আনার উদ্যোগ নেন। ১৫ মে মঙ্গলবার মেয়েটি স্কুলে উপস্থিত হয়ে অভিযুক্ত শিক্ষক জাকিরের বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ দায়ের করলে বিদ্যালয় ব্যবস্থাপনা কমিটি জরুরী সভায় ছাত্রী ছাত্রীকে (১৫) শ্লীলতাহানীর দায়ে ধর্মীয় শিক্ষক জাকির হোসেনকে সাময়িক বরখাস্ত করেন। এ ঘটনার পর থেকে অভিযুক্ত শিক্ষক জাকির হোসেন পলাতক রয়েছে।
এ ব্যাপারে বিদ্যালয় ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতি ও সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান মো. ফজলুল হক খান রাহাত জানান, অভিযুক্ত শিক্ষককে সাময়িক বরখাস্ত করে তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।
–
(আমাদের বরিশাল ডটকম/পিরোজপুর/মার/তাপা)
সম্পাদনা: সেন্ট্রাল ডেস্ক |