বামনায় কিশোরী বধূর রহস্যজনক মৃত্যু মিজানুর রহমান টিপু, বামনা
বরগুনার বামনা উপজেলার পূর্ব সফিপুর গ্রামের সুমন্ত দাসের মেয়ে কিশোরী দীপা রানী (১৫) শনিবার (১০ সেপ্টেম্বর) সকালে আত্মহত্যা করেছে।
জানা যায়, কিশোরী দীপা রানী বামনা সারওয়ার জান মডেল উচ্চ বিদ্যালয়ে সপ্তম শ্রেণীর শিক্ষার্থী থাকাকালীন ২০১৫ সালে দীপার অমতে তার পিতা পার্শ্ববর্তী মঠবাড়ীয়া উপজেলার কাকড়াবুনিয়া গ্রামের সজল অধিকারীর সাথে বিয়ে দেয়।
বিয়ের পর থেকেই স্বামীর সাথে কিশোরীর পারিবারিক কলহ চলে আসছিল। এরই ধারাবাহিকতায় কিছুদিন পূর্বে দীপা বাবার বাড়িতে চলে আসে। এ নিয়ে কয়েক দফায় দুই পরিবারের মধ্যে শালিস বৈঠক হলেও ঘটনার মিমাংসা হয়নি।
শনিবার (১০ সেপ্টেম্বর) সকাল দশটায় মূমুর্ষ অবস্থায় দীপাকে বামনা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স নিয়ে আসলে কর্তব্যরত ডাক্তার তাকে মৃত ঘোষণা করে।
দীপার বাবা সুমন্ত দাস জানায়, সকলের অগোচরে তার বসত ঘরের দোতালার আড়ার সাথে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করে তার মেয়ে দীপা রানী।
অন্যদিকে বামনা উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ মো. হুমায়ুন শাহীন খান জানান, দীপার মৃতদেহ দেখে প্রাথমিক ভাবে আমার কাছে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা বলে মনে হয়নি।
এ বিষয়ে বামনা থানার অফিসার ইনচার্জ মো. শাহাবুদ্দিন জানান, এ ঘটনায় বামনা থানায় একটি অপমৃত্যু মামলা হয়েছে এবং লাশের ময়নাতদন্তের জন্য বরগুনা জেনারেল হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়েছে।
সম্পাদনা: বরি/প্রেস/মপ |