Home » পটুয়াখালী » বাউফল » বাউফলে স্বাধীনতা দিবসে চেয়ারে বসা নিয়ে বিএনপি-জামায়াত দুই দফায় হাতাহাতি
২৬ March ২০২৬ Thursday ২:৩২:২৮ PM
বাউফলে স্বাধীনতা দিবসে চেয়ারে বসা নিয়ে বিএনপি-জামায়াত দুই দফায় হাতাহাতি
বাউফল (পটুয়াখালী) সংবাদদাতা:
পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলায় মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবসের অনুষ্ঠানে চেয়ারে বসাকে কেন্দ্র করে বিএনপি ও জামায়াতের নেতা-কর্মীদের মধ্যে দুই দফায় হাতাহাতির ও মারামারির ঘটনা ঘটেছে। বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) সকাল সাড়ে ৮টার দিকে উপজেলা সদরের পাবলিক মাঠে এ ঘটনা ঘটে। স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে সেখানে আলোচনা সভা ও কুচকাওয়াজের আয়োজন করা হয়। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, সকাল ৮টার দিকে অনুষ্ঠান শুরুর আগেই অতিথিদের জন্য সংরক্ষিত সামনের সারির আসনে উপজেলা জামায়াতের আমীর মাওলানা মো. ইসাহাক মিয়া, সেক্রেটারি মো. খালিদুর রহমানসহ কয়েকজন নেতাকর্মী বসেন। এ সময় সাবেক সংসদ সদস্য ও বীরমুক্তিযোদ্ধা সহিদুল আলম তালুকদারের নেতৃত্বে বিএনপির ৪০-৫০ জন নেতাকর্মী মিছিল নিয়ে মাঠে প্রবেশ করেন। পরে তিনি ও তার স্ত্রী সালমা আলম সামনের সারির আসনে বসেন। কিন্তু সামনের সারিতে পর্যাপ্ত চেয়ার না থাকায় বিএনপি ও অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের অনেক নেতাকর্মী বসতে পারেননি। এতে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। একপর্যায়ে উপজেলা ছাত্রদলের সভাপতি আবদুল্লাহ আল ফাহাদ সামনের সারিতে বসা ছাত্রশিবিরের সাবেক নেতা ও স্থানীয় সাংসদের প্রতিনিধি মুজাহিদুল ইসলামকে চেয়ার ছাড়তে বলেন। এ নিয়ে কথা কাটাকাটির এক পর্যায়ে দুই পক্ষের মধ্যে প্রথম দফায় হাতাহাতি শুরু হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে ঘটনাস্থলে উপস্থিত বাউফল থানার পরিদর্শক আতিকুল ইসলাম এবং সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. সোহাগ মিলু হস্তক্ষেপ করেন। এতে সাময়িকভাবে পরিস্থিতি শান্ত হয়। তবে কিছুক্ষণ পরই দ্বিতীয় দফায় আবার উত্তেজনা দেখা দেয়। ছাত্রদল নেতা ফাহাদ জামায়াতকর্মী অহিদুজ্জামানের সঙ্গে তর্কে জড়িয়ে পড়েন। এক পর্যায়ে ফাহাদ ও তার সমর্থকরা অহিদুজ্জামানকে মারধর করলে পরিস্থিতি আবারও উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। পরে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. সালেহ আহমেদ পুলিশ সদস্যদের সহযোগিতায় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন এবং অনুষ্ঠান স্বাভাবিকভাবে সম্পন্ন করার উদ্যোগ নেন। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সালেহ আহমেদ বলেন, “স্বাধীনতা দিবসের মতো একটি জাতীয় অনুষ্ঠানে এ ধরনের ঘটনা অত্যন্ত দুঃখজনক। অনুষ্ঠানের আয়োজক হিসেবে উপজেলা প্রশাসনের সঙ্গে আলোচনা করলে এমন পরিস্থিতির সৃষ্টি হতো না।”
আমাদের বরিশাল ডটকম -এ প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
(মন্তব্যে প্রকাশিত মত মন্তব্যকারীর একান্তই নিজস্ব। amaderbarisal.com-এর সম্পাদকীয় অবস্থানের সঙ্গে এসব অভিমতের মিল আছেই এমন হবার কোনো কারণ নেই। মন্তব্যকারীর বক্তব্যের বিষয়বস্তু বা এর যথার্থতা নিয়ে amaderbarisal.com কর্তৃপক্ষ আইনগত বা অন্য কোনো ধরনের কোনো দায় নেবে না।)