Current Bangladesh Time
Wednesday July ১৫, ২০২৬ ৮:২৫ PM
Barisal News
Latest News
Home » ভোলা » ভোলা সদর » ভোলার জলসীমায় কমছে ইলিশ
১৫ July ২০২৬ Wednesday ৫:৪১:৫৫ PM
Print this E-mail this

ভোলার জলসীমায় কমছে ইলিশ


বিশেষ প্রতিনিধি:

ইলিশের বাড়ি ভোলা নাকি চাঁদপুর, তা নিয়ে তর্ক-বিতর্কের যেন শেষ নেই। তবে এ জেলায় প্রতি বছরই গড়ে দেড় লাখ টনের বেশি ইলিশ আহরণ হয়।যা স্থানীয় চাহিদা মেটানোর পাশাপাশি ঢাকা, চাঁদপুর ও বরিশালের বিভিন্ন মোকামে বিক্রি হয়। 

জেলার দুই লাখের বেশি জেলে আছেন।কিন্তু গত কয়েক বছর ধরে ভোলার মেঘনা ও তেঁতুলিয়া নদীতে দেখা দিয়েছে ইলিশের সংকট। সারাদিন জাল ফেলেও কাঙ্ক্ষিত পরিমাণ ইলিশের দেখা পাচ্ছেন না জেলেরা। 

শুধু তাই নয়, ভরা মৌসুমেও ইলিশের সংকট থাকে, ফলে চরম জীবিকা সংকটে পড়েছেন এ অঞ্চলের জেলেরা।

জেলেরা জানান, বছরে নদীতে বছরে তিনটি সময় ইলিশ ধরায় নিষেধাজ্ঞা থাকে, যার মধ্যে ইলিশের প্রজনন মৌসুমে ২২ দিন, অভয়াশ্রম রক্ষায় দুই মাস এবং জাটকা সংরক্ষণে (জাটকা-১০ ইঞ্চি বা ২৫ সেন্টিমিটারের ছোট ইলিশ)  সাত মাস।নিষেধাজ্ঞার এ সময় মাছ ধরা থেকে বিরত থাকলেও কিছুতেই যেন কমছে না ইলিশের সংকট।

তবে সাধারণ ভোক্তাদের অভিযোগ, নির্বিচারে জাটকা শিকার এবং নিষেধাজ্ঞার সময়ে মাছ শিকারের ফলে ইলিশের উৎপাদন কমে গিয়ে তৈরি হয়েছে নানা সংকট। যার ফলে ইলিশের জেলায় মিলছে না ইলিশ। দামও চড়া।

ইলিশ বিশেষজ্ঞদের অভিমত, জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবের ফলে এ সংকট তৈরি হয়েছে।

মাছের আড়তদারদের হিসেবে গত ৮-১০ বছর আগে ভোলায় প্রতিদিন সাত কোটি টাকার ইলিশ বেচাকেনা হতো, এখন তা অর্ধেকে নেমে এসেছে। ফলে পুঁজি নিয়ে ব্যবসায় নামলেও লোকসান গুনতে হয় মৎস্যজীবীদের।

মৎস্য বিভাগের হিসেবে দেখা গেছে, গত আট বছরে ভোলায় ইলিশের আহরণ বেড়েছে, জেলের সংখ্যা বেড়েছে। তবে উৎপাদন নিয়ে শঙ্কা তৈরি হয়েছে। 

মৎস্যবিভাগ জানায়, ২০১৮-১৯ অর্থ বছরে জেলায় ইলিশ আহরণ হয়েছে এক লাখ ৬৫ হাজার ৭২২ টন, ২০১৯-২০ অর্থ বছরে যা দাঁড়িয়েছে এক লাখ ৭১ হাজার ২৬৮ টনে, ২০২০-২১ অর্থবছরে এক লাখ ৭৮ হাজার ৭৫৩ টন, ২০২১-২২ অর্থ বছরে এক লাখ ৭৮ হাজার ৯০৫ টন, ২০২২-২৩ অর্থ বছরে এক লাখ ৯১ হাজার ৬৮৩ টন, ২০২৩-২৪ অর্থ বছরে এক লাখ ৯১ হাজার ৮৬২ টন, ২০২৪-২৫ অর্থ বছরে এক লাখ ৯১ হাজার ৮৭৮ টন ও ২০২৫-২৬ অর্থ বছরে এক লাখ ৯১ হাজার ৭৮৭ টন।

মৎস্যবিভাগের এ হিসাবে বাৎসরিক এ জেলা থেকে টাকার অংকে এক হাজার ৯২০ কোটি টাকার ইলিশের কেনাবেচা হয়। যা দৈনিক গড়ে পাঁচ কোটি ২৬ লাখ এবং মাসে কেনাবেচা হয় ১৫৭ কোটি টাকার ইলিশ।

তবে দৈনিক জেলার ১৫৯টির আড়তে ৫১৫ টন এবং মাসে ১৫ হাজার ৭৬৩ টন ইলিশ কেনাবেচা হয়। জেলার চাহিদা মিটিয়ে ৭০ শতাংশ ইলিশ চলে যায় বাইরের জেলাগুলোতে।

নদীতে যে কারণে ইলিশের সংকট:

জলাবায়ুর পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব যেন পড়েছে মৎস্যখাতেও। ডুবোচর, নদীর গতিপথ পরিবর্তন এবং দখল দূষণের কারণে পরিবর্তিত হয়েছে ইলিশ মৌসুমের সময়সীমা। এখন আর ভরা মৌসুমেও মিলছে না ইলিশ। ফলে সারাদিন জাল বেয়েও কাঙ্ক্ষিত ইলিশের দেখা পান না জেলেরা।

নদীগুলো ডুবোচর থাকায় মাছের আবাসস্থল বাঁধাগ্রস্ত হচ্ছে, এতে সাগর থেকে নদীতে আসতে পারছে না ইলিশ। 

অন্যদিকে দখল দূষণের ফলে মাছের বংশবিস্তার মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে। এছাড়া অভিযানের সময়ও দেখা যায় নির্বিচারে মাছ শিকার করা হয়। সব মিলিয়ে ইলিশ সংকটের কারণগুলো এক কথায় মানবসৃষ্ট। এ থেকে উত্তেরণে জনসচেতনতা বাড়ানোর পাশাপাশি মাছের নিরাপদ প্রজনন নিশ্চিত করতে হবে।

এ ব্যাপারে জেলা মৎস্য কর্মকর্তা মোহাম্মদ ইকবাল হোসেন জানান, গত আট বছরে জেলায় মাছের আহরণ বেড়েছে, সেই সঙ্গে বেড়েছে জেলে এবং নৌকা-ট্রলারের সংখ্যাও। তবে কী পরিমাণ মাছ উৎপাদন হচ্ছে, তার সুনির্দিষ্ট তালিকা তৈরি হয় না।

ইলিশ সংকটের বিষয়ে তিনি বলেন, নদীতে ডুবোচর, নিষিদ্ধ জালের ব্যবহার, জলবায়ু পরিবর্তন এবং নদী দূষণের কারণে ইলিশ ধরা পড়ছে না জেলেদের জালে। তবে আমরা জেলেদের এ বিষয়ে সচেতন করছি।

শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের ফিশারিজ অ্যান্ড মেরিন সায়েন্স অনুষদের সহকারী অধ্যাপক মীর মোহাম্মদ আলী বলেন, ইলিশসম্পদ রক্ষার জন্য সবার আগে জরুরি নদীকে অবৈধ জাল-যেমন বেহুন্দি, চরঘেরা, মশারি ইত্যাদি ছোট ফাঁসের জালমুক্ত করা। পাশাপাশি ইলিশ রক্ষা ও জাটকা সংরক্ষণ অভিযান সুষ্ঠুভাবে পালন, নদীর মোহনায় পরিকল্পিত ড্রেজিং, নিষিদ্ধ সময়ে সব জেলেকে প্রণোদনার আওতায় আনা এবং টেকসই বিকল্প কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করা প্রয়োজন। এগুলো বাস্তবায়ন করা গেলে শুধু ইলিশই নয়, নদীতে দেশি মাছের প্রাচুর্যও বাড়বে।

জানা গেছে, ইলিশ শুধু ভোলার প্রধান মাছ নয়, এটি ভোলার পরিচয়। সেই পরিচয় হারালে ক্ষতিগ্রস্ত হবে শুধু জেলেরা নন, পুরো উপকূলীয় জনপদ। তাই ইলিশের সংকট আসলে একটি সতর্কতা সংকেত। এখনই যদি নদী ও মানুষকে একসঙ্গে বাঁচানোর সিদ্ধান্ত না নেওয়া হয়, তবে রুপালি এ স্বপ্ন হারিয়ে যেতে পারে মেঘনার ঢেউয়ের গভীরে।

হাত ঘুরলেই বেড়ে যায় ইলিশের দাম:

জেলেদের ধরা ইলিশ আড়তে বিক্রি হয়, সেখান থেকে পাইকার, বেপারিদের হাত ঘুরে চলে যায় খুচরা বাজারে। অর্থাৎ এক কেজি ওজনের একটি মাছ যদি আড়তে দেড় হাজার টাকায় বিক্রি হয়, সেটি ভোক্তাদের হাতে পৌঁছাতে তিন/চার হাজার টাকা লাগে। পরিবহন ভাড়া এবং হাত বদল হওয়ার কারণে সারা মৌসুমই ইলিশের দাম থাকে সাধারণ মানুষের নাগালের বাইরে।

ভোলা কাঁচা বাজারের মাছ ব্যবসায়ী আব্বাস ও রহিম জানান, মাছের দাম কখনোই এক থাকে না। এটা নির্ভর করে নদীতে কি পরিমাণ মাছ পাওয়া যায়, সেটার ওপর। নদীতে যখনই ইলিশ বেশি ধরা পড়ে, তখন দাম কিছুটা কমে, কিন্তু মাছ কম ধরা পড়লে দাম বেড়ে যায়। 


এদিকে ক্রেতাদের অভিযোগ, বাজারে মাছের দাম নিয়ন্ত্রণে তদারকি নেই প্রশাসনের। যার ফলে ব্যবসায়ীরা সিন্ডিকেট করে নিজেদের ইচ্ছা মতো মাছের দাম বাড়িয়ে দেন। দেখা যায়, বাজারে পর্যপ্ত ইলিশ থাকলেও দাম আকাশ ছোঁয়া।

এ বিষয়ে কথা হয় কয়েকজন ভোক্তার সঙ্গে। তাদের মধ্যে মফিজুল, সামিরুজ্জামান ও মাহফুজুর রহমান, সারা বছরই মাছের দাম চড়া থাকে, এর অন্যতম কারণ বাজার তদারকি নেই। ক্রেতাদের বাধ্য হয়েই চড়া মূল্যে কিনতে হচ্ছে।

তবে অভিযোগ অস্বীকার করে বাজার মনিটরিং কর্মকর্তা মোস্তফা কামাল বলেন, মাঠের বাজার দর নিয়ন্ত্রণে মাঝে মধ্যেই নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটরা ভ্রাম্যমাণ আদালত বসিয়ে অভিযান চালান। 
খোঁজ নিয়ে জানা গেল, ১৯০ কিলোমিটার জলসীমার ভোলার মেঘনা আর তেঁতুলিয়ার ঢেউয়ে ভর করেই জীবন চলে ভোলার জেলেদের। 
 
ভোরের আলো ফোটার আগেই এক সময় যে নদীঘাট মুখর হয়ে উঠত জেলেদের হাঁকডাকে, সেখানে এখন শোনা যায় দীর্ঘশ্বাস, জাল ফেলেও যখন দিনের পর দিন ইলিশ মেলে না।

চরফ্যাশন, দৌলতখান, তজুমদ্দিন ও মনপুরার জেলেদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, আগের মতো আর ইলিশ নেই। 

ভোলার তুলাতলীর ঘাটের জেলে মনির মাঝি বলেন, আগে এসময় জাল তুললেই ইলিশ থাকত। এখন দুই-তিনদিন নদীতে থেকেও খালি হাতে ফিরতে হয়। তেলের খরচই ওঠে না।
সিরাজ মাঝির কণ্ঠেও হতাশা, তিনি বলেন, নিষেধাজ্ঞা মানতে চাই, কিন্তু সংসার চলবে কেমনে? আর নিষেধাজ্ঞা মানার পরও তো কোনো লাভ হয় না।

জেলার মৎস্য কর্মকর্তাদের বক্তব্য, অতিরিক্ত আহরণ ও জাটকা নিধন এখনও পুরোপুরি বন্ধ হয়নি। সরকারের আইন বাস্তবায়নে সর্বোচ্চ চেষ্টা করে কিছুটা নিষেধাজ্ঞার সুফল পাওয়া যায়, কিন্তু তা ধরে রাখতে হলে শতভাগ বাস্তবায়ন জরুরি। কিছু এলাকায় এখনও জাটকা ধরা বন্ধ করা যাচ্ছে না, যা ভবিষ্যতের জন্য বড় হুমকি।

ভোলায় ইলিশসম্পদ রক্ষায় দীর্ঘদিন ধরে কাজ করে আসছে বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা গ্রামীণ জন উন্নয়ন (জিজিইউএস)। সংস্থাটির মৎস্য কর্মকর্তা আরিফুজ্জামান বলেন, ইলিশ ভোলার সংস্কৃতি ও অর্থনীতির অবিচ্ছেদ্য অংশ। বর্তমানে শুধু প্রাকৃতিক কারণেই নয়, বরং মানবসৃষ্ট কারণেও ইলিশের সংকট দেখা দিয়েছে। মা ইলিশ ও জাটকাকে বড় হওয়ার সুযোগ দিলে ইলিশ নিজেই নিজের বংশবৃদ্ধি ঘটিয়ে সংকট কাটিয়ে উঠতে পারবে। এ ছাড়া অভয়াশ্রম গড়ে তোলা, নদীদূষণ রোধ ও জেলেদের বিকল্প কর্মসংস্থান নিশ্চিত করা জরুরি।

তিনি আরও বলেন, আধুনিক প্রযুক্তি যেমন ইকো-সাউন্ডার প্রযুক্তি, কৃত্রিম প্রজনন (যদিও ইলিশ সামুদ্রিক মাছ, যা মূলত মিঠা পানিতে ডিম পাড়তে আসে, তবুও বিজ্ঞানীরা ইলিশের কৃত্রিম প্রজনন নিয়ে গবেষণা করছেন। এটি সফল হলে হ্যাচারিতে ইলিশ উৎপাদন সম্ভব হতে পারে) এবং আঞ্চলিক সহযোগিতা ইলিশের উৎপাদন কয়েক গুণ বাড়াতে পারে।

এর সঙ্গে যুক্ত হয়েছে জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব। সমুদ্রের তাপমাত্রা ও লবণাক্ততার পরিবর্তনে ইলিশের ডিম ছাড়ার সময় ও চলাচলের পথ বদলে যাচ্ছে। 

বিশেষজ্ঞদের মতে, এ পরিবর্তনের সঙ্গে খাপ খাইয়ে নিতে না পারলে ইলিশের মজুদ আরও ঝুঁকিতে পড়বে। বাজারে গিয়ে সংকটের আরেক রূপ দেখা যায়। ইলিশের দাম বেড়েছে কয়েক গুণ। ভোলার মাছ বাজার ঘুরে দেখা যায়, গত কয়েক বছরে ইলিশের দাম উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। 

ক্রেতা নাসিমা বেগম বলেন, ইলিশের দাম এখন যে হারে বাড়ছে, তাতে মধ্যবিত্ত বা নিম্নবিত্তের পক্ষে কেনা সম্ভব নয়। আমি এখন আর ইলিশ খেতে পারি না, মাঝে মধ্যে জাটকা খাই। কিন্তু ইলিশের বাড়তি দামের সুফল জেলেদের হাতে পৌঁছায় না। মধ্যস্বত্বভোগীদের দৌরাত্ম্যে জেলেরা ন্যায্য মূল্য থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন।

ইলিশা ঘাটের জেলে সাজাবুদ্দিন মাঝি বলেন, আমরা কম দামেই বিক্রি করি, শহরে গিয়ে দাম হয় কয়েক গুণ। লাভটা যায় অন্যদের পকেটে।

নদীর চেয়ে সাগরের চিত্র কিছুটা ভিন্ন, গভীর সমুদ্র মিলছে ঝাঁকে ঝাঁকে ইলিশ। দুর্যোগ উপেক্ষা করেও জেলার ৬৫ হাজার জেলে বঙ্গোপসাগরে মাছ ধরে জীবিকা নির্বাহ করে আসছেন। যার মধ্যে চরফ্যাশন উপজেলায় সমুদ্রগামী জেলের সংখ্যা বেশি। এ উপজেলার সামরাজ, বেতুয়া, খেজুর গাছিয়া, কচ্ছপিয়াসহ অন্তত ১০টি আড়তে প্রতিদিন কোটি টাকার ওপরে ইলিশ কেনাবেচা হয়। স্থানীয় জেলেরা এসব মাছ ধরেন, যার এক তৃতীয়াংশ চলে যায় জেলার বাইরে। ১২ বছর আগেও দেখা যেত বাইরের জেলার জেলেরা ভোলায় এসে মাছের মৌসুমে ইলিশ শিকার করতেন। কিন্তু দৃশ্যপট পাল্টে গেছে, নানা সংকট আর প্রতিকূলতার কারণে এখন আর বাইরের জেলেদের মাছ শিকার করতে দেখা যায় না, স্থানীয় জেলেরাই মাছ শিকার করেন।

চরফ্যাশন উপজেলার বৃহৎ মাছের আড়ত সামরাজ ঘাটের আড়তদার বেল্লাল হোসেন বলেন, ১০ বছর এ আড়তে ফিশিংবোট ছিল গড়ে ১০০/১৫০টি, তা বেড়ে এখন পাঁচ হাজার হয়েছে। সাগরে মাছ বেশি থাকলেও জেলেদের সংখ্যা বাড়ায় সবাই কাঙ্ক্ষিত মাছ পাচ্ছেন না।

বাজারে সব কিছুর দাম বাড়ায় মাছের দামও বেড়েছে, একই সঙ্গে বেড়েছে দাদনের পরিমাণও। আগে একটি নৌকা এক থেকে দেড় লাখ টাকায় দাদন দেওয়া হতো। এখন তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১০/১৫ লাখ টাকা পর্যন্ত। 

তিনি আরও বলেন, নদীর চেয়ে সাগরে ইলিশ বেশি। অধিকাংশ ট্রলার গড়ে ১০/১৫ মণ ইলিশ নিয়ে ঘাটে ফিরছে।

সম্পাদনা: আমাদের বরিশাল ডেস্ক

শেয়ার করতে ক্লিক করুন:

আমাদের বরিশাল ডটকম -এ প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
(মন্তব্যে প্রকাশিত মত মন্তব্যকারীর একান্তই নিজস্ব। amaderbarisal.com-এর সম্পাদকীয় অবস্থানের সঙ্গে এসব অভিমতের মিল আছেই এমন হবার কোনো কারণ নেই। মন্তব্যকারীর বক্তব্যের বিষয়বস্তু বা এর যথার্থতা নিয়ে amaderbarisal.com কর্তৃপক্ষ আইনগত বা অন্য কোনো ধরনের কোনো দায় নেবে না।)
ভাঙ্গা–কুয়াকাটা ৬ লেনের ঘোষণা না আসায় দক্ষিণাঞ্চলে মিশ্রপ্রতিক্রিয়া
এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের ঢাকা-বরিশাল মহাসড়ক অবরোধ
কি কথা তাহার সনে: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সাথে শিরিনের আলাপ, রাজনৈতিক অঙ্গনে কানাঘুষা
বন্যা-পাহাড় ধস: সাত জেলায় প্রাণহানি ৫৪, ক্ষতিগ্রস্ত ৬ লাখের বেশি মানুষ
নিজেদের পরিবেশ নিজেদেরই রক্ষা করতে হবে: বরিশালে তারেক রহমান
Recent: Mayor Hiron Barisal
Recent: Barisal B M College
Recent: Tender Terror
Kuakata News

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
আমাদের বরিশাল ২০০৬-২০২০

প্রকাশক ও নির্বাহী সম্পাদক: মোয়াজ্জেম হোসেন চুন্নু, সম্পাদক: রাহাত খান
৪৬১ আগরপুর রোড (নীচ তলা), বরিশাল-৮২০০।
ফোন : ০৪৩১-৬৪৫৪৪, ই-মেইল: hello@amaderbarisal.com