Home » বরিশাল » বানারীপাড়া » বানারীপাড়ায় ওসিসহ ৭ পুলিশ সদস্যের বিরুদ্ধে রাজমিস্ত্রির মামলা
১৪ October ২০২৬ Wednesday ৫:০০:২২ PM
বানারীপাড়ায় ওসিসহ ৭ পুলিশ সদস্যের বিরুদ্ধে রাজমিস্ত্রির মামলা
রাহাদ সুমন,বিশেষ প্রতিনিধি:
বরিশালের বানারীপাড়ায় পোশাকের অপব্যবহার, মারধর, ভয়ভীতি প্রদর্শন, অবৈধ আটক ও শিশু সন্তানকে জোরপূর্বক নিয়ে যাওয়ার অভিযোগে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাসহ(ওসি) ৭ পুলিশ সদস্যের বিরুদ্ধে। মামলা দায়ের করা হয়েছে। মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) বরিশাল সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট আমলী আদালতের বিচারক সৈয়দ আবিদুল হক মামলাটি গ্রহণ করে তদন্তের জন্য পিবিআইয়ের পুলিশ সুপারকে নির্দেশ দিয়েছেন। বানারীপাড়া উপজেলার মহিষাপোতা গ্রামের ফকিরবাড়ির বাসিন্দা পেশায় রাজমিস্ত্রি জালিছ মাহমুদ আদালতে মামলার আবেদন করলে বিচারক তা গ্রহণ করে এ আদেশ দেন। মামলায় বানারীপাড়া থানার ওসি মোঃ মজিবুর রহমান ও উপ-পরিদর্শক (এসআই) মোঃ জাহিদকে সুনির্দিষ্ট এবং ৪/৫ জন পুলিশ সদস্যকে অজ্ঞানামা আসামী করা হয়েছে।
মামলা সুত্রে জানা গেছে,বাদী তার স্ত্রী পপি আক্তারকে তালাক দিলে পপি তার বিরুদ্ধে যৌতুক নিরোধ আইনের ৩ ধারায় সিআর ৪২৩/২০২৫ মামলা দায়ের করেন।
উক্ত মোকদ্দমায় বাদী বকেয়া খোরপোষ ও দেনমোহরসহ সকল টাকা পরিশোধ করে বিচারঅন্তে খালাস পান। বাদী জালিছ মাহমুদ ও তার সাবেক স্ত্রী পপি আক্তারের দাম্পত্য জীবনে “হুমায়রা জান্নাত” নামের তিন বছর বয়সী এক কন্যা সন্তান রয়েছে। পপি আক্তার তালাকের পরে অন্যত্র বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হলে শিশু কন্যা সন্তানটি মামলার বাদী বাবার বাড়িতে দীর্ঘদিন ধরে বসবাস করে আসছিলো। গত সোমবার (১২ অক্টোবর) সকাল ১১টার দিকে মামলার প্রধান আসামী ওসির নির্দেশে ২ নম্বর আসামী থানার উপ-পরিদর্শক মোঃ জাহিদ ৪/৫ জন পোশাক পরিহিত অজ্ঞাতনামা পুলিশ সদস্য নিয়ে আটক করতে গিয়ে বাদী জালিছ মাহমুদকে তার উপজেলার মহিষাপোতা গ্রামের বাড়ির সামনের রাস্তায় পেয়ে গলা চেপে ধরে শ্বাসরোধের চেষ্টা করেন। অপর আসামী পুলিশ সদস্যরা বাদীকে কিলঘুষি ও লাথি মেরে গুরুতর আহত করেন। এসময়
বাদীর বিরুদ্ধে তার সাবেক স্ত্রী থানায় মামলা দায়ের করেছেন বলে তাকে জোরপূর্বক আটক করে থানায় নিয়ে যাওয়া হয়। মামলায় অভিযোগ করা হয় বাদী তার নাবালিকা কন্যা সন্তানের আইনানুগ অভিভাবক হওয়া স্বত্ত্বেও
তার অনুমতি ব্যতিরেকে মিথ্যা মামলার ভয় দেখিয়ে এবং থানায় দীর্ঘসময় আটকে রেখে ওসির নির্দেশনায় শিশুকন্যাকে সাবেক স্ত্রীর জিম্মায় দেওয়া হয়। পরে বাদী থানা থেকে ছাড়া পেয়ে বানারীপাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা নেন এবং আদালতে এ মামলা দায়ের করেন। এ
ঘটনায় আইনগত অধিকার লঙ্ঘন, ক্ষমতার অপব্যবহার এবং মিথ্যা মামলার ভয় দেখানোর অভিযোগও মামলায় উল্লেখ করা হয়েছে।
দণ্ডবিধির বিভিন্ন ধারায় অপরাধ সংঘটনের অভিযোগ এনে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার আবেদন জানানো হয়েছে। একই সঙ্গে ঘটনাস্থলের সিসিটিভি ফুটেজ সংগ্রহ, তদন্ত এবং প্রয়োজনীয় বিচারিক পদক্ষেপ গ্রহণের দাবি করা হয়েছে।
এদিকে মামলায় আনীত এসব অভিযোগ সত্য নয় দাবি করে বানারীপাড়া থানার ওসি মোঃ মজিবুর রহমান বলেন, দুই বছর আটমাস বয়সী কন্যা সন্তানটি খুব অসুস্থ। তার মাতৃস্নেহে সুস্থ হওয়া প্রয়োজন। তাই শিশুটিকে চিকিৎসা করিয়ে মায়ের জিম্মায় দেওয়া হয়েছে।
আমাদের বরিশাল ডটকম -এ প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
(মন্তব্যে প্রকাশিত মত মন্তব্যকারীর একান্তই নিজস্ব। amaderbarisal.com-এর সম্পাদকীয় অবস্থানের সঙ্গে এসব অভিমতের মিল আছেই এমন হবার কোনো কারণ নেই। মন্তব্যকারীর বক্তব্যের বিষয়বস্তু বা এর যথার্থতা নিয়ে amaderbarisal.com কর্তৃপক্ষ আইনগত বা অন্য কোনো ধরনের কোনো দায় নেবে না।)
নোনা জলের আগ্রাসন উপকূলের নদী থেকে গভীর নলকূপে
পদবঞ্চিত বিএনপি নেতাদের সাক্ষাৎ দিলেন না এম,পি সরোয়ার
ধুঁকছে বরিশালের একমাত্র হৃদরোগ চিকিৎসাকেন্দ্র, শেবাচিমে রোগীর চাপ
বরিশালে মামলার ফাঁদে নষ্ট হচ্ছে কোটি টাকার যানবাহন
এবার হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হোলো মঈন আব্দুল্লাহ কে