‘হায়রে মানুষ রঙিন ফানুস দম ফুরাইলেই ঠুস’ বিনোদন ডেস্ক
‘হায়রে মানুষ রঙিন ফানুস দম ফুরাইলে ফুরাইলেই ঠুস’। সৈয়দ শামসুল হকের লেখা বিখ্যাত একটি গান। গানটি গেয়েছিলেন এন্ড্রু কিশোর। সুর করেছিলেন আলম খান। মানুষের জীবনটা খুবই আকস্মিক।
রঙিন ফানুসের মতোই বায়ু শেষ হয়ে গেলে সব খেলা শেষ। জীবনকে খুব গভীরভাবে ভাবতে পেরেছিলেন শামসুল হক। তাইতো এতো গভীর কথাটা সহজেই লিখে ফেলেছিলেন।
সৈয়দ শামসুল হক বলেছিলেন, তিনি কখনো গান লিখতে চান নি। প্রথম গান লিখতে হয়েছিল প্রডাকশনের খরচ বাঁচাতে এবং সুরকার সত্য সাহাকে প্রতিষ্ঠিত করার জন্য।
প্রথম গান লিখেছিলেন, ফরাশগঞ্জে একটি বাড়ির চিলেকোঠায় বসে ১৯৬১ সালে সুতরাং ছবির ‘তুমি আসবে বলে, কাছে ডাকবে বলে, ভালোবাসবে বলে শুধু মোরে’। সৈয়দ শামসুল হকের জনপ্রিয় গানগুলো-
‘নদী বাঁকা জানি, চাঁদ বাঁকা জানি, তাহার চেয়ে আরও বাঁকা তোমার ছলনা’ গানে কণ্ঠ দিয়েছিলেন মুস্তাফা জামান আব্বাসী ও ফেরদৌসী রহমান ।
‘এই যে আকাশ, এই যে বাতাস, বউ কথা কও সুরে যেন ভেসে যায়, বেলা বয়ে যায়, মধুমতি গাঁয় ওরে মন ছুটে চল চেনা ঠিকানায়’
‘এমন মজা হয় না, গায়ে সোনার গয়না, বুবুমণির বিয়ে হবে বাজবে কত বাজনা’
‘যার ছায়া পড়েছে মনেরও আয়নাতে, সে কি তুমি নও ওগো তুমি নও’ গেয়েছিলেন,ফেরদৌসী রহমান।
অনেক সাধের ময়না আমার বাঁধন কেটে যায়, মিছে তারে শিকল দিলাম রাঙা দুটি পায়’
‘তোরা দেখ দেখ দেখরে চাইয়া, রাস্তা দিয়া হাইটা চলে রাস্তা হারাইয়া’
‘আমি চক্ষু দিয়া দেখতাছিলাম জগৎ রঙ্গিলা’
চাম্বেলিরও তেল দিয়া কেশ বান্ধিয়া’,
‘পাগল পাগল মানুষগুলো পাগল সারা দুনিয়া, কেহ পাগল রূপ দেখিয়া, কেহ পাগল শুনিয়া’
‘চাঁদের সঙ্গে আমি দেব না তোমার তুলনা’। গেয়েছিলেন রুনা লায়লা ও এন্ড্রু কিশোর।
আরো পড়ুন…
শামসুল হকের বৈচিত্রময় জীবন ও লেখা
চলেই গেলেন সব্যসাচী লেখক শামসুল হক
|