ময়না তদন্ত ছাড়াই মারধরে মৃতের দাফন বামনা প্রতিবেদক
বরগুনার বামনা উপজেলার রামনা লঞ্চঘাটের নৈশ প্রহরী মো. সুলতান খান (৫৫) কে এক প্রভাবশালীর বেদম প্রহারে গুরুতর আহত করার অভিযোগ উঠেছে।
তাকে চিকিৎসার জন্য মঠবাড়িয়া স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হলে গত ৩ জুন শনিবার চিকিৎসাধিন অবস্থায় তিনি মারা যায়।
মৃত ওই নৈশপ্রহরীর লাশ প্রভাবশালীদের সহায়তায় ময়না তদন্ত ছাড়াই দাফন করা হয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।
জানা যায়, গত ৮ মে সকালে রামনা লঞ্চঘাটের বাজারের আঃ ছালামের ঘরের সম্মুখে নৈশপ্রহরী সুলতানের সাথে তার স্ত্রী রানী বেগমের কথাকাটাকাটি হয়। এসময় আনসার আলীর এর ছেলে ছালাম এসে ওই নৈশ প্রহরী সুলতানকে প্রহার করে।
এতে তার পা ভেঙ্গে তিনি গুরুতর আহত হয়। স্থানীয় লোকজন তাৎক্ষনিক বামনা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে তাকে নিয়ে আসলে তার অবস্থা আশংকা জনক হওয়ায় উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে বরিশাল শের-ই বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠায়।
বরিশালে কিছুদিন চিকিৎসা নেওয়ার পর আর্থিক অস্বচ্ছলতার কারণে তাকে বাড়িতে ফেরত নিয়ে আসে। পরবর্তীতে সে আবার অসুস্থ্য হয়ে পরলে পরিবারের লোকজন তাকে মঠবাড়িয়া স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে গত ২ জুন শুক্রবার ভর্তি করে। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় পরের দিন শনিবার ১১টার দিকে সে মারা যায়।
ওই নৈশপ্রহরী সুলতানের মরদেহ কোন প্রকার ময়না তদন্ত ছাড়াই প্রভাবশালীদের চাপে পরিবারের লোকজন দাফন করতে বাধ্য হয় বলে জানিয়েছেন প্রতিবেশীরা।
এ বিষয়ে আনসার আলীর এর ছেলে ছালামের সাথে যোগাযোগের চেষ্টা করেও তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
তবে বামনা থানার ওসি মো. শাহাবুদ্দিন জানান, খবর পেয়ে তিনি এসআই খোকনকে ঘটনাস্থলে পাঠাই। সে পৌছানোর পূর্বেই লাশ দাফন করা হয়। পরিবারের লোকজন হাপানী রোগে তার মৃত্যু হয়েছে এই মর্মে একটি মৃত্যু সনদ থানায় জমা দিয়েছে।
সম্পাদনা: বরি/প্রেস/মপ |