বাকিখোরদের অত্যাচারে অতিষ্ঠ হয়ে ব্যাবসায়ীর অভিনব পদ্ধতি
পটুয়াখালী প্রতিনিধি:
বাংলাদেশে ছোট-বড় ব্যবসায়ীদের জন্য অন্যতম বড় সমস্যা হলো “বাকি”—পণ্য নিয়ে টাকা না দেওয়া বা সময়মতো পরিশোধ না করা। অনেকেই সুযোগ বুঝে বিক্রেতাকে ঠকায়, আবার অনেকে ক্রেতা সেজেও প্রতারণার ফাঁদ পাতে। ফলে ব্যবসায়ীরা প্রায়ই আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়েন।
এই সমস্যা থেকে বাঁচতে পটুয়াখালী সদর থানার সামনে এক চায়ের দোকানের মালিক সুব্রত চন্দ্র দাস নিয়েছেন ব্যতিক্রমী এক উদ্যোগ। তার দোকানে প্রতিদিনই কিছু ক্রেতা আসতেন, যারা নিয়মিত বাকিতে চা-নাস্তা খেয়ে টাকা পরিশোধ করতেন না। এতে অতিষ্ঠ হয়ে তিনি দোকানের ভেতরে ঝুলিয়ে দিলেন একটি ব্যঙ্গাত্মক পোস্টার।এই পোস্টার দেখেই অনেক ক্রেতা লজ্জায় আর বাকি চাইতে সাহস করেন না।
সুব্রত চন্দ্র দাস জানান,আগে প্রতিদিন অনেকেই এসে বাকি চাইতো। টাকা চাইলে নানা আজুহাত দেখাত।এখন পোস্টার দেখানোর পর বেশিরভাগ মানুষই আর বাকি চায় না। এবং এখন আর সেই অতিথি পাখি যারা বাকি খাইয়া দিতো মাসের পর মাস ফাকি তাদের আনাগোনা অনেকটাক কমছে।
সুব্রতর এই অভিনব উদ্যোগ ইতোমধ্যেই আশপাশের ব্যবসায়ীদের মধ্যে আলোচনার বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। অনেকেই তার দোকানে এসে পোস্টারের ছবি তুলে নিয়ে যাচ্ছেন, যেন নিজের দোকানেও এমন নিয়ম চালু করতে পারেন। ব্যবসায়ীদের মতে, সব দোকানদার যদি একটু কৌশলী হন, তাহলে বাকিখোরদের কবল থেকে মুক্তি পাওয়া সম্ভব। সুব্রত চন্দ্র দাসের এই উদ্যোগ প্রমাণ করেছে, শুধু কৌশল ও বুদ্ধি খাটালেই ব্যবসায়ীরা সহজেই প্রতারণার ফাঁদ থেকে রক্ষা পেতে পারেন।
আমাদের বরিশাল ডটকম -এ প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
(মন্তব্যে প্রকাশিত মত মন্তব্যকারীর একান্তই নিজস্ব। amaderbarisal.com-এর সম্পাদকীয় অবস্থানের সঙ্গে এসব অভিমতের মিল আছেই এমন হবার কোনো কারণ নেই। মন্তব্যকারীর বক্তব্যের বিষয়বস্তু বা এর যথার্থতা নিয়ে amaderbarisal.com কর্তৃপক্ষ আইনগত বা অন্য কোনো ধরনের কোনো দায় নেবে না।)
বরিশালে বাসস্ট্যান্ডের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে বিএনপির দু’গ্রুপে সংঘর্ষ
শিক্ষকদের আন্দোলনের মধ্যে নতুন উপাচার্য পেল বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়
অসময়ের বৃষ্টিতে বরিশালে হাজার কোটি টাকার ফসলহানি
দিন দিন বাড়ছে নগর, কমছে বিসিসি’র গৃহকর আদায়
ধুঁকছে দক্ষিণাঞ্চলের চিকিৎসাসেবা: প্রতি ১০ হাজার মানুষের চিকিৎসক মাত্র ১ জন