পরে বুধবার সকাল ১০টায় মঠবাড়িয়া মাছ বাজারে খটক মাছটি কেটে ২ হাজার টাকা কেজি দরে বিক্রি করা হয়। স্থানীয়রা মাছটি কিনতে ও দেখতে মাছ বাজারে ভিড় করেন।
এর আগে মঙ্গলবার দুপুরে মাছটি একটি ইঞ্জিনচালিত ভ্যানে করে শহরের বিভিন্ন স্থানে প্রদর্শন করা হয় এবং বিক্রির জন্য মাইকিং করা হয়। মাছটি মঠবাড়িয়ায় আনার পর খবর ছড়িয়ে পড়লে এলাকার মানুষের মাঝে ব্যাপক কৌতূহলের সৃষ্টি হয়।
এরপর স্থানীয় প্রশাসন ও বন বিভাগ বিষয়টি টের পেয়ে মাছটি জব্দ করে হারপিক দিয়ে মাটি চাপা দেয় এবং পরীক্ষার জন্য কিছু মাছ ল্যাবে পাঠানো হয়। এ সময় মাছ বিক্রেতা পালিয়ে যান।
মঠবাড়িয়া উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) সুদীপ্ত দেবনাথ বলেন, খটক মাছ বিক্রির খবর পেয়ে তাৎক্ষণিক জব্দ করি। এ সময় মাছ ব্যবসায়ী পালিয়ে যায়।
বাগেরহাট বিভাগীয় বন কর্মকর্তা শাহীন হোসেন বলেন, বিলুপ্তপ্রায় খটক মাছটি মঠবাড়িয়া উপজেলা প্রশাসন জব্দ করেছে। খবর পেয়ে মাছটি হারপিক দিয়ে মাটিচাপা দেওয়া হয় এবং কিছু মাছ টেস্ট করার জন্য ল্যাবে পাঠানো হয়েছে।
তিনি বলেন, এই মাছ শিকার ও বিক্রি নিষিদ্ধ এবং স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর।
আমাদের বরিশাল ডটকম -এ প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
(মন্তব্যে প্রকাশিত মত মন্তব্যকারীর একান্তই নিজস্ব। amaderbarisal.com-এর সম্পাদকীয় অবস্থানের সঙ্গে এসব অভিমতের মিল আছেই এমন হবার কোনো কারণ নেই। মন্তব্যকারীর বক্তব্যের বিষয়বস্তু বা এর যথার্থতা নিয়ে amaderbarisal.com কর্তৃপক্ষ আইনগত বা অন্য কোনো ধরনের কোনো দায় নেবে না।)
বাজেট অধিবেশন শুরু ৭ জুন : স্পিকার
ছাত্রদল নেতাদের বাধা: ফের আটকে গেল বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের সড়ক নির্মাণকাজ