Home » নাজিরপুর » পিরোজপুর » নাজিরপুরে ৬ কোটি টাকার সেতুটি কোনো কাজেই আসছে না, সাকোঁতেই পার হতে হয় ঝুঁকি নিয়ে
১৮ May ২০২৬ Monday ২:০৯:২৩ PM
নাজিরপুরে ৬ কোটি টাকার সেতুটি কোনো কাজেই আসছে না, সাকোঁতেই পার হতে হয় ঝুঁকি নিয়ে
নাজিরপুর ((পিরোজপুর) প্রতিনিধি:
৬ কোটি টাকার ব্রিজে ওঠা-নামা করতে হয় কাঠের সাঁকো দিয়ে। ব্রিজের এপ্রোচ নির্মাণ না করে ঠিকাদার পালিয়ে যাওয়ায় দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে পিরোজপুরের নাজিরপুর উপজেলার ২০ টি গ্রামের মানুষের।
প্রায় ৬ কোটি টাকার ব্রিজে এপ্রোচ না করার কারণে এখন মরণ ফাঁদ হয়ে দাঁড়িয়েছে। নাজিরপুর উপজেলার চাঁদকাঠী নদীর উপর ৬৬ মিটার দীর্ঘ নাওটানা-পাকুরিয়া সেতুটির নির্মাণ কাজ শুরু হয় ২০২০ সালের ২৩ মার্চ । আর কাজের সময়সীমা ছিলো ২০২২ সালের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত। স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদফতরের (এলজিইডি) ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান সিমরান মায়ান ট্রেড ইন্টারন্যাশনাল এর মাধ্যমে কাজটি শুরু করে। মূল ব্রিজের কাজ প্রায় শেষ করে এপ্রোচ নির্মাণ না করেই ঠিকাদার সাবেক মন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের সাবেক এমপি শ ম রেজাউল করিমের ভাই শাহিন ক্ষমতার অপব্যবহার টাকা তুলে নিয়ে যান বলে অভিযোগ রয়েছে।
ফলে যাতায়াতকারীরা ব্রিজে উঠতে নামতে ঝুঁকি নিয়ে সাঁকো ব্যবহার করছেন। এরইমধ্যে সমস্যার সমাধানে এলাকাবাসী ঠিকাদারের কাছে গিয়েও কোনো প্রতিকার না পাওয়ায় নিজেদের অর্থে কাঠের সাঁকো তৈরি করে চলাচল করছে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে। নড়বড়ে এ কাঠের সাঁকো দিয়ে চলাচল করতে গিয়ে যে কোনো সময় ঘটতে পারে বড় দুর্ঘটনা।
স্থানীয় বাসিন্দা সমিরন হালদার বলেন, ৬-৭ বছর ধরে আমরা ১৫-২০ টি গ্রামের হাজার হাজার মানুষ চরম দুর্ভোগের শিকার সেতুটি না থাকার কারণে। সেতুর কাজ হওয়ার পর ভেবেছিলাম আমাদের কষ্ট লাঘব হবে। কিন্তু আমাদের সমস্যার সমাধান আর হলো না। সেতুটি না থাকার কারণে ৮ থেকে ১০ কিলোমিটার বেশি রাস্তা ঘুরে আসা-যাওয়া করতে হয়। কাজ শেষ না করে ঠিকাদার চলে যাওয়ায় আমরা এ পথ দিয়ে আসা-যাওয়া করতে পারি না। ১৫ থেকে ২০ টি গ্রামের হাজার হাজার মানুষের দুর্ভোগ লাঘবের জন্য কর্তৃপক্ষ দ্রুত ব্রিজটি চলাচলের উপযোগী করে দেবেন এ আশা সকলের।
কাজটি শেষ করার জন্য ঠিকাদারের সাথে বারবার যোগাযোগের চেষ্টা চলছে বলে জানায় এলজিইডি। জনসাধারণের দুর্ভোগ লাঘবে কাজ দ্রুত শুরু করা হবে জানালেও কাজ শেষ না করে টাকা উত্তোলনের বিষয়ে কথা বলতে রাজি নন এলজিইডি নির্বাহী কর্মকর্তা।
এ বিষয়ে নাজিরপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সাজিয়া শাহনাজ তমা বলেন, স্থানীয় সরকার বিভাগের যে সমস্ত কাজে দুর্নীতির অভিযোগ রয়েছে এবং তদন্তাধীন রয়েছে সে সমস্ত কাজ আপাতত বন্ধ রয়েছে। তবে তদন্ত শেষে কাজগুলো দ্রুত শেষ করার জন্য তৎপর রয়েছে প্রশাসন।
সিমরান মায়ান ট্রেড ইন্টারন্যাশনাল ৫ কোটি ৮৭ লক্ষ ৯৯ হাজার ২৭২ টাকা ব্যায়ে এ ব্রিজটির নির্মাণ কাজের দায়িত্ব পেয়েছিল।
আমাদের বরিশাল ডটকম -এ প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
(মন্তব্যে প্রকাশিত মত মন্তব্যকারীর একান্তই নিজস্ব। amaderbarisal.com-এর সম্পাদকীয় অবস্থানের সঙ্গে এসব অভিমতের মিল আছেই এমন হবার কোনো কারণ নেই। মন্তব্যকারীর বক্তব্যের বিষয়বস্তু বা এর যথার্থতা নিয়ে amaderbarisal.com কর্তৃপক্ষ আইনগত বা অন্য কোনো ধরনের কোনো দায় নেবে না।)
হামের চাপে শেবাচিম ও জেনারেল হাসপাতাল, রোগী ধরে রাখতে পারছে না উপজেলা হাসপাতাল
ফ্যামিলি কার্ডের টাকায় নারীর ক্ষমতায়ন তৈরি হবে :গৌরনদীতে তথ্যমন্ত্রী
বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়: ১৫ বছরে ৭ উপাচার্য, চারজনকেই অপসারণ
বরিশালে বাসস্ট্যান্ডের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে বিএনপির দু’গ্রুপে সংঘর্ষ
শিক্ষকদের আন্দোলনের মধ্যে নতুন উপাচার্য পেল বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়