Home » দশমিনা » পটুয়াখালী » দশমিনায় প্রাথমিক প্রান্তিক মূল্যায়ন পরীক্ষায় ফি আদায়ের অভিযোগ
১৫ May ২০২৬ Friday ৬:৫১:০৩ PM
দশমিনায় প্রাথমিক প্রান্তিক মূল্যায়ন পরীক্ষায় ফি আদায়ের অভিযোগ
দশমিনা (পটুয়াখালী) প্রতিনিধি:
পটুয়াখালীর দশমিনায় একটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রান্তিক মূল্যায়ন পরীক্ষার জন্য শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে ফি নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে প্রধান শিক্ষক ও সহকারী শিক্ষকদের বিরুদ্ধে। অভিভাবকদের দাবি, উপজেলার ২২ নং মধ্যগুলি আউলিয়াপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষক আবদুর রহমান এবং সহকারী শিক্ষক সোনিয়া ও আরিফা বেগম এই ফি আদায় করেছেন।
জানা গেছে, উপজেলায় ১৪৫টি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ৯ মে থেকে প্রাথমিক প্রান্তিক মূল্যায়ন পরীক্ষা শুরু হয়। এই পরীক্ষার জন্য ২২ নং মধ্যগুলি আউলিয়াপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষক আবদুর রহমানের নির্দেশে সহকারী শিক্ষক সোনিয়া ও আরিফা বেগম প্রথম ও দ্বিতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে ৫০ টাকা এবং তৃতীয়, চতুর্থ ও পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের কাছ ৭০ টাকা করে ফি নিয়েছেন। এ নিয়ে অভিভাবকেরা ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। অভিভাবকদের দাবি, প্রধান শিক্ষক অতীতেও পরীক্ষার সময় টাকা নিয়েছেন। এ বছর সরকার শিক্ষার্থীদের পরীক্ষার ফিসহ সবকিছু ফ্রি করেছে। তারপরও প্রধান শিক্ষক শিক্ষার্থীদের চাপ প্রয়োগ করে ফি নিয়েছেন।
অভিভাবক চাম্পা বেগম ও রুনু বেগম জানান, তাঁদের সন্তানেরা বাড়ি এসে কান্নাকাটি করে বলেছে, সোনিয়া ম্যাডাম নাকি তাদের বলেছেন, ফি না দিলে পরীক্ষা দিতে দেবেন না। পরে তাঁরা শিক্ষিকাকে টাকা দিয়েছেন। তবে টাকা নিলেও তাঁদের কোনো রসিদ দেওয়া হয়নি।
সহকারী শিক্ষক সোনিয়া ও আরিফা বেগম বলেন, ‘শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের অভিযোগ ভিত্তিহীন। এর কোনো সত্যতা নেই। আমরা পরীক্ষার জন্য কোনো শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে ফি বাবদ কোনো টাকা নিইনি।’
প্রধান শিক্ষক আবদুর রহমান বলেন, ‘পরীক্ষার জন্য শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে টাকা নেওয়া হয়নি। কোনো শিক্ষক নিয়ে থাকলে তা আমার জানা নেই। বিদ্যালয়ের সুনাম নষ্ট করার জন্য অনেকে মিথ্যা কথা বলছেন। সরকারের নির্দেশনা বাস্তবায়নে আমরা শতভাগ কাজ করছি।’
উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির সভাপতি মো. আবু জাফর ও সাধারণ সম্পাদক আনিসুর রহমান বলেন, সরকারি নিয়ম অনুসারে, প্রাথমিক প্রান্তিক মূল্যায়ন পরীক্ষার জন্য শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে কোনো টাকা নেওয়ার কথা না। যদি কেউ নিয়ে থাকেন, তাহলে এ বিষয়ে উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা ব্যবস্থা নেবেন।
উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা হিটলারুজ্জামান বলেন, পরীক্ষার ফি বাবদ কোনো টাকা নেওয়ার কথা না। যদি ২২ নং মধ্যগুলি আউলিয়াপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পরীক্ষার ফি বাবদ টাকা নিয়ে থাকে, তাহলে তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. মাসুদ করিম বলেন, ‘আমি বিষয়টি জানলাম। পরীক্ষায় কোনো টাকা নেওয়ার বিধান নেই। আমি উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তাকে ওই বিদ্যালয়ের ব্যাপারে তদন্ত প্রতিবেদন দ্রুত দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছি।’
আমাদের বরিশাল ডটকম -এ প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
(মন্তব্যে প্রকাশিত মত মন্তব্যকারীর একান্তই নিজস্ব। amaderbarisal.com-এর সম্পাদকীয় অবস্থানের সঙ্গে এসব অভিমতের মিল আছেই এমন হবার কোনো কারণ নেই। মন্তব্যকারীর বক্তব্যের বিষয়বস্তু বা এর যথার্থতা নিয়ে amaderbarisal.com কর্তৃপক্ষ আইনগত বা অন্য কোনো ধরনের কোনো দায় নেবে না।)
বরিশালে বাসস্ট্যান্ডের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে বিএনপির দু’গ্রুপে সংঘর্ষ
শিক্ষকদের আন্দোলনের মধ্যে নতুন উপাচার্য পেল বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়
অসময়ের বৃষ্টিতে বরিশালে হাজার কোটি টাকার ফসলহানি
দিন দিন বাড়ছে নগর, কমছে বিসিসি’র গৃহকর আদায়
ধুঁকছে দক্ষিণাঞ্চলের চিকিৎসাসেবা: প্রতি ১০ হাজার মানুষের চিকিৎসক মাত্র ১ জন