স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সকালে কালিজিরা নদীর পূর্ব পাড়ে একটি বস্তায় অর্ধেক বন্দি অবস্থায় মরদেহটিকে ভাসতে দেখে স্থানীয়রা পুলিশে খবর দেন। পরে বরিশাল কোতোয়ালি মডেল থানা পুলিশের একটি দল বস্তাবন্দি অবস্থায় নাজমুলের মরদেহটি উদ্ধার করে।
নিহতের পরিবার সূত্রে জানা গেছে, গত শনিবার (১৩ জুন) সকালে প্রতিদিনের মতো অটোরিকশা নিয়ে বাড়ি থেকে বের হন নাজমুল। দুপুর থেকে নাজমুলের ফোনে একাধিকবার কল দেয়া হলে তিনি রিসিভ করেনি। পরে স্বজনরা বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করেও তার কোনো সন্ধান পাননি। পরবর্তীতে রোববার (১৪ জুন) নিহতের বাবা আব্দুল রশিদ মোল্লা বরিশাল এয়ারপোর্ট থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করেন।
কান্নাজড়িত কণ্ঠে নিহতের স্ত্রী নীপা বেগম জানান, শনিবার সকাল ১০টার দিকে নাজমুল বাড়িতে এসে সন্তানকে দেখে যান। রাতে আমাদের নিজেদের বাড়িতে নিয়ে যাওয়ার কথা বলেছিলেন তিনি। কিন্তু এরপর থেকে আর তার খোঁজ পাইনি। ওর কোনো শত্রু ছিলো না। তাহলে কেন এভাবে ওকে মেরে ফেলা হলো।
এ বিষয়ে বরিশাল কোতোয়ালি মডেল থানা পুলিশের সহকারী কমিশনার অলোক কান্তি শর্মা জানান, সুরতহাল শেষে ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহটি বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ (শেবাচিম) হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।
পুলিশ ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে। এটি পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। হত্যার প্রকৃত কারণ উদঘাটন এবং জড়িতদের চিহ্নিত করে দ্রুত গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে বলে জানান পুলিশের ওই পুলিশের সহকারী কমিশনার।
আমাদের বরিশাল ডটকম -এ প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
(মন্তব্যে প্রকাশিত মত মন্তব্যকারীর একান্তই নিজস্ব। amaderbarisal.com-এর সম্পাদকীয় অবস্থানের সঙ্গে এসব অভিমতের মিল আছেই এমন হবার কোনো কারণ নেই। মন্তব্যকারীর বক্তব্যের বিষয়বস্তু বা এর যথার্থতা নিয়ে amaderbarisal.com কর্তৃপক্ষ আইনগত বা অন্য কোনো ধরনের কোনো দায় নেবে না।)
আটকে আছে ভাঙা-বরিশাল-কুয়াকাটা রেলপথ প্রকল্প, অবরুদ্ধ হাজারো জীবন
বরিশাল শেবাচিম হাসপাতাল: ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতি হলেন তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী
বাজেটে বরিশালে বাণিজ্যিক উন্নয়নের দাবি
দখল আর অপরিকল্পিত নগরায়ণে হারিয়ে যাচ্ছে বরিশাল নগরীর ১৭ খাল
বন্ধ হয়ে গেল অলিম্পিক সিমেন্ট কারখানা, বিপাকে শ্রমিকেরা