পটুয়াখালীর কুয়াকাটা সংলগ্ন বঙ্গোপসাগরে একটি মাছ ধরার ট্রলারে ৮০ মণ ইলিশ ধরা পড়ায় জেলেদের মধ্যে আনন্দের সৃষ্টি হয়েছে। এসব ইলিশ নিলামের মাধ্যমে ২০ লাখ টাকায় বিক্রি করেছে মৎস্য ব্যবসায়ীরা।
জানা গেছে, এফবি আব্দুল্লাহ নামের মাছ ধরার ট্রলারটি বাদশা মাঝির নেতৃত্বে ১৮ জন জেলেকে নিয়ে চার দিন আগে গভীর সাগরে মাছ শিকারের উদ্দেশ্যে যাত্রা করে। দুই দিন সাগরে মাছ ধরার পর মঙ্গলবার পায়রা বন্দরের শেষ বয়ার কাছাকাছি এলাকায় জেলেদের জালে বিপুল পরিমাণ ইলিশ ধরা পড়ে।
পরে বুধবার বিকেলে মাছগুলো আলীপুর মৎস্য বন্দরের সিফাত ফিসে নিয়ে আসা হয়। সেখানে নিলামের মাধ্যমে মাছগুলো ২০ লাখ টাকায় বিক্রি হয়।
ট্রলারটির মাঝি বাদশা বলেন, ‘দীর্ঘদিন ধরে সাগরে বড় মৌসুমের মতো ইলিশের দেখা পাচ্ছিলাম না। হঠাৎ করে মঙ্গলবার প্রায় ৮০ থেকে ৯০ মণ ইলিশ ধরা পড়ে। তবে মাছগুলো তুলনামূলক ছোট। এসব মাছ ২০ লাখ টাকায় বিক্রি করেছি। চার দিন আগে ১৮ জন জেলে নিয়ে সাগরে গিয়েছিলাম। দুদিন মাছ ধরার পর আজ মাছগুলো আলীপুরে এনে বিক্রি করেছি।’
কলাপাড়া সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা অপু সাহা বলেন, ‘জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে সাগরে বেশ কিছুদিন ইলিশের খরা চলছিল। বর্তমানে জেলেদের জালে ঝাঁকে ঝাঁকে ইলিশ ধরা পড়ছে। বৃষ্টি হলে আরও বেশি ইলিশ ধরা পড়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এতে মৎস্য বন্দরের ইলিশ সংশ্লিষ্ট সবাই লাভবান হবেন।’
প্রসঙ্গত, আলীপুর-মহিপুর মৎস্য বন্দর দেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ মৎস্য অবতরণ কেন্দ্র। এখানে প্রতিদিন বিভিন্ন প্রজাতির সামুদ্রিক মাছ বেচাকেনা হয়। দীর্ঘদিন পর একসঙ্গে বিপুল পরিমাণ ইলিশ ধরা পড়ায় স্থানীয় জেলে ও ব্যবসায়ীদের মধ্যে নতুন করে আশার সঞ্চার হয়েছে।
আমাদের বরিশাল ডটকম -এ প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
(মন্তব্যে প্রকাশিত মত মন্তব্যকারীর একান্তই নিজস্ব। amaderbarisal.com-এর সম্পাদকীয় অবস্থানের সঙ্গে এসব অভিমতের মিল আছেই এমন হবার কোনো কারণ নেই। মন্তব্যকারীর বক্তব্যের বিষয়বস্তু বা এর যথার্থতা নিয়ে amaderbarisal.com কর্তৃপক্ষ আইনগত বা অন্য কোনো ধরনের কোনো দায় নেবে না।)
লিজ নেওয়ার পর মামলা দিয়ে দখল: বরিশালে বেহাত সরকারের হাজার কোটি টাকার জমি
১০ ঘণ্টা পর বরিশালে বাস চলাচল স্বাভাবিক, অবরোধে চরম ভোগান্তি