ভোলায় কিশোর রেদোয়ান রাসেল হত্যা মামলায় দুই আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত।
বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) দুপুরে ভোলা জেলা ও দায়রা জজ আদালতের সিনিয়র দায়রা জজ শরীফ এ এম রেজা জাকের এ রায় ঘোষণা করেন।
দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- ভোলা সদর উপজেলার পশ্চিম ইলিশা এলাকার সুজন ও মো. ইলিয়াছ।
মামলার নথি ও আদালত সূত্রে জানা যায়, ২০০৭ সালের ২৮ ডিসেম্বর সন্ধ্যা আনুমানিক ৭টার দিকে রেদোয়ান রাসেল তার বাবার হাওলাদার বাজারের মুদি দোকানে অবস্থান করছিল।এ সময় মোবাইলফোনে কথা বলার কথা বলে প্রতিবেশী সুজন তাকে দোকান থেকে ডেকে নিয়ে যান। এরপর থেকে রেদোয়ান নিখোঁজ ছিলেন।
পরদিন পরিবারের সদস্যরা বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করেন। ৩০ ডিসেম্বর স্থানীয়দের মাধ্যমে তারা জানতে পারেন, দক্ষিণ চরপাতা দারোগার খালের পাশে সিদ্দিক মালের বাড়ির সামনে এক কিশোরের লাশ পাওয়া গেছে।পরে ভোলা পৌরসভার সরকারি গোরস্থানে লাশ দেখে পরিবারের সদস্যরা রেদোয়ানকে শনাক্ত করেন। লাশের মুখ ও গলায় আঘাতের চিহ্ন ছিল বলে মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়।
এ ঘটনায় রেদোয়ানের বাবা ভোলা সদর মডেল থানায় মামলা করেন। তদন্ত শেষে পুলিশ সুজন ও ইলিয়াছকে আসামি করে আদালতে চার্জশিট (অভিযোগপত্র) দাখিল করে। পরবর্তীতে মামলাটি সেশন মামলা নং-৩১/২০০৯ হিসেবে বিচারাধীন হয়। ২০০৯ সালের ২৩ জুন আসামিদের বিরুদ্ধে দণ্ডবিধির ৩০২/২০১/৩৪ ধারায় অভিযোগ গঠন করা হয়।
মামলায় রাষ্ট্রপক্ষ ১৬ জন সাক্ষীকে আদালতে পরীক্ষা করেন। দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে আদালত দুই আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেন। রায় ঘোষণার পর মামলাটির বিচারিক কার্যক্রমের সমাপ্তি ঘটে।
রাষ্ট্রপক্ষে মামলাটি পরিচালনা করে অ্যাডভোকেট মো. তৈয়ব এবং আসামিপক্ষে আব্দুল্লাহ আল ইসলাম ফাহাদ।
আমাদের বরিশাল ডটকম -এ প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
(মন্তব্যে প্রকাশিত মত মন্তব্যকারীর একান্তই নিজস্ব। amaderbarisal.com-এর সম্পাদকীয় অবস্থানের সঙ্গে এসব অভিমতের মিল আছেই এমন হবার কোনো কারণ নেই। মন্তব্যকারীর বক্তব্যের বিষয়বস্তু বা এর যথার্থতা নিয়ে amaderbarisal.com কর্তৃপক্ষ আইনগত বা অন্য কোনো ধরনের কোনো দায় নেবে না।)
রেঞ্জ ডিআইজি কার্যালয়ের সামনে ‘জয় বাংলা’ স্লোগানের পর ককটেল বিস্ফোরণ