Home » দশমিনা » পটুয়াখালী » দশমিনায় মা ইলিশ ধরার প্রস্তুতি, ১২ ট্রলারসহ এক লাখ মিটার জাল জব্দ
১৭ October ২০২৬ Saturday ৬:৪৫:১৫ PM
দশমিনায় মা ইলিশ ধরার প্রস্তুতি, ১২ ট্রলারসহ এক লাখ মিটার জাল জব্দ
দশমিনা (পটুয়াখালী) প্রতিনিধি:
পটুয়াখালীর দশমিনা উপজেলায় প্রজনন মৌসুমে মা ইলিশ সংরক্ষণ অভিযানে ১২টি ইঞ্জিনচালিত ট্রলার এবং প্রায় ৩০ লাখ টাকা মূল্যের এক লাখ মিটার অবৈধ কারেন্ট জাল জব্দ করেছে প্রশাসন।
গতকাল শুক্রবার বিকেল ৫টার দিকে উপজেলার তেঁতুলিয়া নদীর তীরবর্তী গোলখালী খাল এলাকায় স্থানীয় প্রশাসন, পুলিশ ও মৎস্য দপ্তরের যৌথ দল এ অভিযান পরিচালনা করে।
উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে তেঁতুলিয়া নদীর গোলখালী খালে কিছু অসাধু জেলে মাছ ধরার প্রস্তুতি নিচ্ছিল। খবর পেয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) নেতৃত্বে একটি দল অভিযানে যায়। এ সময় খালের মধ্যে থাকা জালসহ ১২টি ইঞ্জিনচালিত ট্রলার জব্দ করা হয়। তবে অভিযানের বিষয়ে টের পেয়ে জেলেরা পালিয়ে যায়।
পরবর্তীতে জব্দকৃত ট্রলার ও কারেন্ট জাল উপজেলার হাজির হাটে নিয়ে আসা হয়। জব্দকৃত জালের আনুমানিক বাজারমূল্য ৩০ লাখ টাকা বলে জানিয়েছে মৎস্য দপ্তর।
আইনগত প্রক্রিয়া শেষে ট্রলারগুলো সংশ্লিষ্ট ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানের জিম্মায় রাখা হয়েছে এবং ১ লাখ মিটার কারেন্ট জাল আগুনে পুড়িয়ে ধ্বংস করা হয়েছে।
দশমিনা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মাহমুদ হাসান জানান, তেঁতুলিয়া নদীতে অভিযান চালিয়ে ১২টি অবৈধ কারেন্ট জাল ভর্তি ইঞ্জিনচালিত ট্রলার আটক করা হয়। জব্দকৃত জাল জনসম্মুখে পুড়িয়ে ধ্বংস করা হয়েছে এবং ট্রলারগুলো স্থানীয় চেয়ারম্যানের জিম্মায় দেওয়া হয়েছে।
মা ইলিশ রক্ষায় নদী এলাকায় এ ধরনের সরকারি অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়েছেন ইউএনও।
আমাদের বরিশাল ডটকম -এ প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
(মন্তব্যে প্রকাশিত মত মন্তব্যকারীর একান্তই নিজস্ব। amaderbarisal.com-এর সম্পাদকীয় অবস্থানের সঙ্গে এসব অভিমতের মিল আছেই এমন হবার কোনো কারণ নেই। মন্তব্যকারীর বক্তব্যের বিষয়বস্তু বা এর যথার্থতা নিয়ে amaderbarisal.com কর্তৃপক্ষ আইনগত বা অন্য কোনো ধরনের কোনো দায় নেবে না।)
মা ইলিশ শিকারে ‘নিরাপত্তা বাণিজ্য’, নেপথ্যে যারা
মরণফাঁদে পরিণত ঢাকা-বরিশাল মহাসড়ক, চলতি বছরে ৩০ জনের মৃত্যু