মনপুরায় পুলিশ-জলদস্যু বন্দুকযুদ্ধঃ ১০ জলদস্যু ও ১ জেলে নিহত
লালমোহন, ১৪ ডিসেম্বর (জসিম জনি/আমাদের বরিশাল ডটকম): ভোলার বিচ্ছিন্ন দ্বীপ মনপুরা উপজেলার ৩নং উত্তর সাকুচিয়া ইউনিয়নের ভাসানচরে বঙ্গপসাগরের মোহনায় পুলিশের সঙ্গে বন্দুক যুদ্ধে জাকির বাহিনীর প্রধান মেঘনার জাকিরসহ ১০ জলদস্যু নিহত হয়েছে। এসময় ক্রসফায়ারে পরে বিল্লাল নামে এক জেলে নিহত হয়। ১৪ ডিসেম্বর বুধবার সন্ধ্যায় তজুমদ্দিন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোঃ মাহবুবুর রহমান এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। ১৪ ডিসেম্বর বুধবার দুপুর দেড়টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত ভাসানচরে জলদস্যুদের সঙ্গে পুলিশের বন্দুক যুদ্ধের ঘটনা ঘটে বলে তিনি জানান।
রাতে ৯ টায় এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত জলদস্যুদের লাশ ভাসানচর থেকে চর নিজামে নিয়ে আসা হয়েছে। বর্তমানে সেখানে ভোলার পুলিশ সুপার বশির আহমেদের নেতৃত্বে বিপুল সংখ্যক পুলিশ অবস্থান করছেন। ঘটনাস্থল থেকে ২টি কাটা রাইফেল, ২টি ট্রলার, দেশি অস্ত্র ও গুলি উদ্ধার করা হয়েছে।
তজুমদ্দিন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোঃ মাহবুবুর রহমান আমাদের বরিশাল ডটকমকে জানান, ১৪ ডিসেম্বর বুধবার দুপুর ড়েদটার দিকে ভাসানচরের দক্ষিণে সাগর মোহনায় ডাকাতির প্রস্তুতিকালে একদল জলদস্যুকে ধাওয়া করে পুলিশ। এক পর্যায়ে জলদস্যুরা পুলিশকে লক্ষ্য করে গুলি শুরু করে। পরে পাল্টা গুলি চালায় পুলিশ। এতে ঘটনাস্থলেই ১০ জলদস্যু নিহত হন। জলদস্যু ও পুলিশের মাঝখানে পড়ে বিল্লাল নামের এক জেলে মারা যায় বলে জানান তিনি। এসময় এক পুলিশ সদস্যও আহত হয়।
চর নিজামের সাবেক মেম্বার আবু সিকদার জানান, ১৪ ডিসেম্বর বুধবার বঙ্গপসাগর থেকে ভোলার জলদস্যু সম্রাট জাকির গ্রুপের সদস্যরা চর নিজামের জামাল মাঝি ও মনু মাঝির ২টি মাছ ধরা ট্রলার ডাকাতি করে নিয়ে যাওয়ার সংবাদ পেয়ে চরনিজাম পুলিশ ক্যাম্পের উপ-পরিদর্শক (এসআই) নুর আলমের নেতৃত্বে পুলিশ ও জেলেরা ডাকাতদলকে প্রতিহত করার চেষ্টা করলে উভয় গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষ বেধে যায়।
–
(আমাদের বরিশাল ডটকম/লালমোহন/জজ/তাপা)
সম্পাদনা: সেন্ট্রাল ডেস্ক |