বৃষ্টির কারণে সাধারণ মানুষ বাহিরে বের না হওয়ায় সড়কে গণপরিবহন তেমন একটা চলাচল করেনি। একইসাথে বন্ধ করে দেয়া হয়েছে অভ্যন্তরীন রুটের ৬৫ ফুটের কম দৈর্ঘ্যরে লঞ্চ চলাচল।
বরিশাল আবাহওয়া অফিসের সিনিয়র পর্যবেক্ষক মোঃ ইউনুস জানান- বৃহষ্পতিবার সকাল ৬টা থেকে শুক্রবার সকাল ৬ টা পর্যন্ত ৯ দশমিক ২ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। এছাড়া শুক্রবার সকাল ৬ টা থেকে বিকেল ৩ টা পর্যন্ত ৯ দশমিক ৪ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে।
তিনি জানান- যেহেতু এটা বর্ষাকাল তাই এই বৃষ্টি স্বাভাবিক এবং সক্রিয় মৌসুমী বায়ু প্রবাহ থাকায় আকাশ মেঘলা রয়েছে যার কারনে দিনভর বৃষ্টি হচ্ছে।
বরিশাল নৌ বন্দর কর্মকর্তা মোঃ শহিদউল্যাহ জানান- দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়া থাকায় শুক্রবার সকাল ১০ টা থেকে ছোট লঞ্চ (৬৫ ফুটের কম) চলাচল বন্ধ করে দেওয়া হয়। পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত এ নিষেধাজ্ঞা বলবৎ থাকবে। তবে ঢাকা-বরিশাল রুটের লঞ্চের ক্ষেত্রে এ নিষেধাজ্ঞা বলবৎ নয়।
ফলে বরিশাল থেকে বিশারকান্দী ও দশমিনাগামী দুটি লঞ্চ চলাচল ব্যহত হয়। তবে বাকী রুটের লঞ্চ চলাচল স্বাভাবিক রয়েছে।
এদিকে আবহাওয়া দপ্তর সূত্রে জানা গেছে, উত্তর বঙ্গোপসাগরে মৌসুমি বায়ু সক্রিয় থাকার কারণে চট্টগ্রামে থেমে থেমে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি পড়ছে। চট্টগ্রাম, মংলা, পায়রা সমুদ্রবন্দর ও কক্সবাজারে ৩ নম্বর স্থানীয় সতর্কসংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।
শুক্রবার দুপুর ১২টা পর্যন্ত নগরে ১১৭ দশমিক ১ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করেছে পতেঙ্গা আবহাওয়া দপ্তর। বৃষ্টিতে নগরের নিচু এলাকা প্লাবিত হয়েছে। নগরের আগ্রাবাদ, কাপাসগোলা, সিডিএ, বাকলিয়া, প্রবর্তকসহ কয়েকটি এলাকায় হাঁটু পরিমাণ পানি জমেছে।
মৌসুমি বায়ু সক্রিয় থাকার কারণে আগামী ২৪ ঘণ্টায় এই বৃষ্টি চলতে থাকতে পারে।
আবহাওয়া দপ্তর জানায়, মৌসুমি বায়ু প্রবল থাকার কারণে উত্তর বঙ্গোপসাগর এলাকায় গভীর সঞ্চরণশীল মেঘমালা সৃষ্টি হচ্ছে। উত্তর বঙ্গোপসাগর, বাংলাদেশের উপকূলীয় এলাকা এবং সমুদ্রবন্দরগুলোর ওপর দিয়ে ঝোড়ো বাতাস বয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
উত্তর বঙ্গোপসাগরে অবস্থানরত মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলারগুলোকে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত উপকূলের কাছাকাছি থেকে সাবধানে চলাচল করতে বলা হয়েছে।