এইচএসসি পরীক্ষায় অকৃতকার্য হওয়ায় বরগুনায় দুই শিক্ষার্থীর আত্মহত্যার খবর পাওয়া গেছে। তাঁরা হলেন কাঠালিয়া উপজেলার আমুয়া শহীদ রাজা ডিগ্রি কলেজের শিক্ষার্থী ইয়াসির আরাফাত (১৭) এবং মডেল স্কুল অ্যান্ড কলেজের শিক্ষার্থী নূসরাত জাহান নাজনীন (১৮)।
ইয়াসির আরাফাত বামনা উপজেলার বাটাজোড় গ্রামের আবুল হোসেন ফরাজীর ছোট ছেলে। অন্যদিকে নাজনীন বরগুনার আমতলী উপজেলার
মৃত বশির মৃধার মেয়ে।
পরিবার ও কলেজ সূত্রে জানা গেছে, বামনা উপজেলার পার্শ্ববর্তী কাঠালিয়া উপজেলার শহীদ রাজা ডিগ্রি কলেজের বিজ্ঞান বিভাগে এইচএসসি পরীক্ষায় অংশ নেন ইয়াসির আরাফাত। পরীক্ষায় অকৃতকার্য হওয়ার খবর পেয়ে দুপুর ১২টার দিকে কীটনাশক পান করেন তিনি। বিষক্রিয়ায় গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়লে প্রথমে তাঁকে বামনা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। সেখান থেকে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজে পাঠানো হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান।
ইয়াসির আরাফাতের বিষপানে আত্মহত্যার বিষয়টি নিশ্চিত করে আমুয়া শহীদ রাজা ডিগ্রি কলেজের সহকারী অধ্যাপক মো. জাহাঙ্গীর আলম বলেন, ‘ছেলেটি খুব ভালো ছাত্র ছিল। ফেল করার ঘটনাটি ও মেনে নিতে পারেনি। আমরাও মানতে পারছি না।’
এদিকে অপর শিক্ষার্থী নাজনীন তার বড় বোনের সঙ্গে বরিশাল নগরীর ব্যাপটিস্ট মিশন রোডে থেকে পড়াশোনা করতেন। তাঁর মৃত্যুর বিষয়ে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজের চিকিৎসক আশীষ কুমার সাহা বলেন, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, গলায় রশি দিয়ে নাজনীন আত্মহত্যা করেছেন। লাশ ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে।
আমাদের বরিশাল ডটকম -এ প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
(মন্তব্যে প্রকাশিত মত মন্তব্যকারীর একান্তই নিজস্ব। amaderbarisal.com-এর সম্পাদকীয় অবস্থানের সঙ্গে এসব অভিমতের মিল আছেই এমন হবার কোনো কারণ নেই। মন্তব্যকারীর বক্তব্যের বিষয়বস্তু বা এর যথার্থতা নিয়ে amaderbarisal.com কর্তৃপক্ষ আইনগত বা অন্য কোনো ধরনের কোনো দায় নেবে না।)