ঝালকাঠিতে ধর্ষণের ঘটনায় আ. লীগ নেতার বিরুদ্ধে মামলা
ঝালকাঠি প্রতিনিধি:
ঝালকাঠিতে চাকরির প্রলোভন দেখিয়ে এক নারী শ্রমিককে ধর্ষণের ঘটনায় কারখানা মালিক ও তার সহযোগীর বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলাটি এজাহার হিসেবে গ্রহণ করে তদন্তের নির্দেশ দিয়েছে আদালত।
সোমবার (৫ জানুয়ারি) দুপুরে জেলা নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক শরীফ মোহাম্মদ সানাউল্লাহ এই আদেশ দেন। মামলায়ঝালকাঠি পৌর আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি ওওই কারখানার ব্যবস্থাপনা পরিচালক শামসুল হকমনু মিয়া এক নম্বর আসামি করা হয়েছে। এছাড়া কারখানার শ্রমিক ফরিদ হোসেনকে দুই নম্বর আসামি করা হয়েছে।
মামলার অভিযোগপত্রে বলা হয়েছে, ফরিদ হোসেন চাকরির প্রলোভন দেখিয়ে রুবিনা বেগমকে কারখানার মালিক মনু মিয়ার কাছে নিয়ে যান। মনু মিয়া নানা প্রলোভন দেখিয়ে বিভিন্ন সময় ওই নারীর ইচ্ছার বিরুদ্ধে শারীরিক সম্পর্ক করতে বাধ্য করেন। এরপর চাকরির সুবাদে একাধিকবার তাকে ধর্ষণ করে।
অভিযোগপত্রে আরও বলা হয়েছে, ২০২৪ সালের ৭ নভেম্বর মামলায় অভিযুক্ত ২ নম্বর আসামি ফরিদ হোসেনও ওই নারীকে জোরপূর্বক ধর্ষণ করেন। এতে রুবিনা বেগম গর্ভবতী হয়ে পড়লে বিষয়টি আড়াল করতে কাবিন রেজিস্ট্রি করে। তবে গত বছরের ১৫ জুলাই একটি কন্যা সন্তান জন্ম প্রসব করলে, ফরিদ হোসেন ওই নারীকে তালাক দেন।
বাদীপক্ষের আইনজীবী পার্থসারথি রায় মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, ভুক্তভোগী নারী যেন ন্যায়বিচার পান, সে লক্ষ্যেই আমরা আদালতের দ্বারস্থ হয়েছি।
জানতে চাইলে ঝালকাঠি সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ইমতিয়াজ আহমেদ জানান, আদালতের নির্দেশনা এখনো থানায় এসে পৌঁছায়নি। হাতে পেলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
আমাদের বরিশাল ডটকম -এ প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
(মন্তব্যে প্রকাশিত মত মন্তব্যকারীর একান্তই নিজস্ব। amaderbarisal.com-এর সম্পাদকীয় অবস্থানের সঙ্গে এসব অভিমতের মিল আছেই এমন হবার কোনো কারণ নেই। মন্তব্যকারীর বক্তব্যের বিষয়বস্তু বা এর যথার্থতা নিয়ে amaderbarisal.com কর্তৃপক্ষ আইনগত বা অন্য কোনো ধরনের কোনো দায় নেবে না।)