Current Bangladesh Time
Sunday June ৭, ২০২৬ ৯:৫৬ PM
Barisal News
Latest News
Home » লাইফস্টাইল » জানের প্রস্তুতি ও সফল সিয়াম সাধনার পূর্ণাঙ্গ
১৮ February ২০২৬ Wednesday ৪:৪৪:১৮ PM
Print this E-mail this

জানের প্রস্তুতি ও সফল সিয়াম সাধনার পূর্ণাঙ্গ


সৈয়দ নাঈম বেগ:

আহলান ওয়া সাহলান ইয়া শাহরু রমাদান। অবারিত রহমত, মাগফিরাত ও নাজাতের সওগাত নিয়ে আবারও আমাদের দ্বারে সমাগত পবিত্র মাহে রমজান। মুসলিম উম্মাহর জন্য এই মাসটি কেবল একটি মাস নয়, বরং এটি আত্মিক বসন্ত। এই মাসেই মুমিন বান্দা তার আমল ও আচরণের মাধ্যমে মহান আল্লাহর নৈকট্য লাভ করে। যেকোনো গুরুত্বপূর্ণ কাজের জন্য যেমন পূর্বপ্রস্তুতির প্রয়োজন হয়, তেমনি রমজানের অবারিত কল্যাণ ও বরকত লাভের জন্য মুমিনের সঠিক প্রস্তুতি নেওয়া অপরিহার্য। রাসুলুল্লাহ (সা.) এবং তাঁর সাহাবীগণ রমজান আসার কয়েক মাস আগে থেকেই মানসিকভাবে এর জন্য প্রস্তুতি নিতেন এবং দোয়া করতেন।

১. সিয়ামের মূল দর্শন: তাকওয়া অর্জন

রমজানের মূল উদ্দেশ্য কেবল দিনের বেলা পানাহার থেকে বিরত থাকা নয়, বরং এর মূল লক্ষ্য হলো ‘তাকওয়া’ বা খোদাভীতি অর্জন করা। পবিত্র কুরআনে আল্লাহ তাআলা ইরশাদ করেছেন:

‎يَا أَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا كُتِبَ عَلَيْكُمُ الصِّيَامُ كَمَا كُتِبَ عَلَى الَّذِينَ مِن قَبْلِكُمْ لَعَلَّكُمْ تَتَّقُونَ

অর্থ: “হে মুমিনগণ! তোমাদের ওপর রোজা ফরজ করা হয়েছে, যেমন ফরজ করা হয়েছিল তোমাদের পূর্ববর্তীদের ওপর; যাতে তোমরা তাকওয়া (আল্লাহভীতি) অর্জন করতে পারো।” (সূরা বাকারা: ১৮৩)

অন্তরে এই সংকল্প করা যে, এই এক মাস আমি নিজেকে সব ধরনের পাপাচার থেকে দূরে রেখে আল্লাহর প্রিয় বান্দা হওয়ার চেষ্টা করব।

২. রমজানের মানসিকভাবে প্রস্তুতি

• খাঁটি তওবা: রমজান শুরুর আগেই বিগত জীবনের ভুলত্রুটির জন্য আল্লাহর কাছে লজ্জিত হয়ে তওবা করা। যেন একটি পরিষ্কার হৃদয়ে রমজানের রহমত প্রবেশ করতে পারে।

• ইবাদতের রুটিন তৈরি: অফিস, ব্যবসা বা ঘরের কাজের ফাঁকে কীভাবে ইবাদতের সময় বের করা যায়, তার একটি আগাম মানসিক পরিকল্পনা বা রুটিন তৈরি করা। বিশেষ করে তিলাওয়াত ও জিকিরের জন্য সময় নির্দিষ্ট করা।

• শরعی মাসলা-মাসায়েল: রোজার সঠিক নিয়ম, ইতিকাফ ও যাকাত সংক্রান্ত প্রয়োজনীয় বিষয়গুলো রমজান আসার আগেই আলেমদের কাছ থেকে বা নির্ভরযোগ্য বই থেকে জেনে নেওয়া।

৩. রমজানে আমাদের বিশেষ করণীয়

একটি সফল রমজান কাটাতে আমাদের নিচের আমলগুলোর প্রতি বিশেষ নজর দেওয়া উচিত:

• আল-কুরআনের সাথে সম্পর্ক: রমজান হলো কুরআনের মাস। এই মাসে অন্তত একবার অর্থসহ কুরআন খতম দেওয়ার চেষ্টা করা। প্রতিদিন নির্দিষ্ট সময় তিলাওয়াতের জন্য বরাদ্দ রাখা।

• সালাতুল তারাবিহ ও কিয়ামুল লাইল: এশার নামাজের পর তারাবিহ এবং শেষ রাতে সাহরির আগে অন্তত দুই রাকাত তাহাজ্জুদ পড়ার অভ্যাস করা। রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, “যে ব্যক্তি ঈমানের সাথে ও সওয়াবের আশায় রমজানের রাতে কিয়াম (সালাত) আদায় করবে, তার পূর্ববর্তী গুনাহ ক্ষমা করা হবে।”

• দান-সদকা ও যাকাত: রমজান মাসে প্রতিটি নফল আমলের সওয়াব ফরজের সমান। অসহায় প্রতিবেশী ও আত্মীয়স্বজনের হক আদায় করা এবং যাকাতযোগ্য সম্পদ থাকলে তা এই মাসেই বন্টন করা উত্তম।

• ইফতার ও দোয়া: ইফতারের আগমুহূর্তে দোয়া করা রোজাদারের জন্য একটি বিশেষ প্রাপ্তি। নবীজি (সা.) বলেছেন, “ইফতারের সময় রোজাদারের দোয়া ফিরিয়ে দেওয়া হয় না।”

• মানবিক আচরণ: রমজান আমাদের সহমর্মিতা শেখায়। অধিনস্থ কর্মচারী বা কাজের মানুষের কাজের চাপ কমিয়ে দেওয়া এবং সবার সাথে হাসিমুখে কথা বলাও ইবাদতের অংশ।

৪. রমজানে যা বর্জনীয়

রোজা কেবল পেটের নয়, বরং চোখ, কান ও জিহ্বারও। তাই নিচের বিষয়গুলো কঠোরভাবে বর্জন করতে হবে:

• জবানের অপব্যবহার: মিথ্যা বলা, গীবত (পরনিন্দা), তর্কে লিপ্ত হওয়া বা কাউকে গালি দেওয়া সম্পূর্ণ বর্জনীয়। রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, “যে ব্যক্তি মিথ্যা কথা ও মন্দ কাজ ত্যাগ করল না, তার না খেয়ে থাকাতে আল্লাহর কোনো প্রয়োজন নেই।” (সহিহ বুখারি)

• অতিরিক্ত অপচয়: ইফতারের নামে হরেক পদের খাবারের বিলাসিতা ও অপচয় করা রমজানের ত্যাগের শিক্ষার পরিপন্থী। মিতব্যয়িতা এই মাসের বড় শিক্ষা।

• সময় অপচয়: অনর্থক সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহার, গেম খেলা বা আড্ডাবাজি করে ইবাদতের মূল্যবান সময় নষ্ট করা যাবে না।

• অনৈতিক ব্যবসায়িক মানসিকতা: রমজানকে পুঁজি করে মজুদদারি বা নিত্যপণ্যের দাম বাড়ানো অত্যন্ত জঘন্য কাজ। ব্যবসায়ীদের উচিত এই মাসে মুনাফার চেয়ে সেবার মানসিকতা রাখা।

• অসংযত রাগ: ক্ষুধার কারণে খিটখিটে মেজাজ বা অন্যের ওপর রাগ প্রকাশ করা থেকে বিরত থাকতে হবে। কেউ উসকানি দিলেও তাকে বলতে হবে, “ইন্নী সায়িম” (আমি রোজাদার)।

৫. শারীরিক প্রস্তুতি ও খাদ্যাভ্যাস

রোজা পালনের জন্য সুস্থ শরীর অপরিহার্য। তাই রমজানে অতিরিক্ত তৈলাক্ত ও ভাজাপোড়া খাবার এড়িয়ে পুষ্টিকর ও সহজপাচ্য খাবার গ্রহণের পরিকল্পনা করা উচিত। সাহরিতে পরিমিত পানি পান করা এবং পর্যাপ্ত বিশ্রাম নেওয়া জরুরি যাতে ইবাদতে ক্লান্তি না আসে।

উপসংহার

রমজান আমাদের সামনে একটি সুবর্ণ সুযোগ হিসেবে আসে। আমাদের প্রস্তুতি যদি কেবল কেনাকাটা আর বাহারি ইফতারের আয়োজনে সীমাবদ্ধ থাকে, তবে আমরা এই মাসের প্রকৃত নূর থেকে বঞ্চিত হবো। আসুন, আমরা আত্মিক ও জাগতিকভাবে এমনভাবে প্রস্তুতি নিই, যেন এবারের রমজান আমাদের জীবনের মোড় ঘুরিয়ে দেয়। আল্লাহ আমাদের সকলকে সুস্থতার সাথে পুরো রমজান মাস সিয়াম ও কিয়াম পালনের তৌফিক দান করুন আমীন।

মাওজানের প্রস্তুতি ও সফল সিয়াম সাধনার পূর্ণাঙ্গ

,,,,,,,,,

আহলান ওয়া সাহলান ইয়া শাহরু রমাদান। অবারিত রহমত, মাগফিরাত ও নাজাতের সওগাত নিয়ে আবারও আমাদের দ্বারে সমাগত পবিত্র মাহে রমজান। মুসলিম উম্মাহর জন্য এই মাসটি কেবল একটি মাস নয়, বরং এটি আত্মিক বসন্ত। এই মাসেই মুমিন বান্দা তার আমল ও আচরণের মাধ্যমে মহান আল্লাহর নৈকট্য লাভ করে। যেকোনো গুরুত্বপূর্ণ কাজের জন্য যেমন পূর্বপ্রস্তুতির প্রয়োজন হয়, তেমনি রমজানের অবারিত কল্যাণ ও বরকত লাভের জন্য মুমিনের সঠিক প্রস্তুতি নেওয়া অপরিহার্য। রাসুলুল্লাহ (সা.) এবং তাঁর সাহাবীগণ রমজান আসার কয়েক মাস আগে থেকেই মানসিকভাবে এর জন্য প্রস্তুতি নিতেন এবং দোয়া করতেন।

১. সিয়ামের মূল দর্শন: তাকওয়া অর্জন

রমজানের মূল উদ্দেশ্য কেবল দিনের বেলা পানাহার থেকে বিরত থাকা নয়, বরং এর মূল লক্ষ্য হলো ‘তাকওয়া’ বা খোদাভীতি অর্জন করা। পবিত্র কুরআনে আল্লাহ তাআলা ইরশাদ করেছেন:

‎يَا أَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا كُتِبَ عَلَيْكُمُ الصِّيَامُ كَمَا كُتِبَ عَلَى الَّذِينَ مِن قَبْلِكُمْ لَعَلَّكُمْ تَتَّقُونَ

অর্থ: “হে মুমিনগণ! তোমাদের ওপর রোজা ফরজ করা হয়েছে, যেমন ফরজ করা হয়েছিল তোমাদের পূর্ববর্তীদের ওপর; যাতে তোমরা তাকওয়া (আল্লাহভীতি) অর্জন করতে পারো।” (সূরা বাকারা: ১৮৩)

অন্তরে এই সংকল্প করা যে, এই এক মাস আমি নিজেকে সব ধরনের পাপাচার থেকে দূরে রেখে আল্লাহর প্রিয় বান্দা হওয়ার চেষ্টা করব।

২. রমজানের মানসিকভাবে প্রস্তুতি

• খাঁটি তওবা: রমজান শুরুর আগেই বিগত জীবনের ভুলত্রুটির জন্য আল্লাহর কাছে লজ্জিত হয়ে তওবা করা। যেন একটি পরিষ্কার হৃদয়ে রমজানের রহমত প্রবেশ করতে পারে।

• ইবাদতের রুটিন তৈরি: অফিস, ব্যবসা বা ঘরের কাজের ফাঁকে কীভাবে ইবাদতের সময় বের করা যায়, তার একটি আগাম মানসিক পরিকল্পনা বা রুটিন তৈরি করা। বিশেষ করে তিলাওয়াত ও জিকিরের জন্য সময় নির্দিষ্ট করা।

• শরعی মাসলা-মাসায়েল: রোজার সঠিক নিয়ম, ইতিকাফ ও যাকাত সংক্রান্ত প্রয়োজনীয় বিষয়গুলো রমজান আসার আগেই আলেমদের কাছ থেকে বা নির্ভরযোগ্য বই থেকে জেনে নেওয়া।

৩. রমজানে আমাদের বিশেষ করণীয়

একটি সফল রমজান কাটাতে আমাদের নিচের আমলগুলোর প্রতি বিশেষ নজর দেওয়া উচিত:

• আল-কুরআনের সাথে সম্পর্ক: রমজান হলো কুরআনের মাস। এই মাসে অন্তত একবার অর্থসহ কুরআন খতম দেওয়ার চেষ্টা করা। প্রতিদিন নির্দিষ্ট সময় তিলাওয়াতের জন্য বরাদ্দ রাখা।

• সালাতুল তারাবিহ ও কিয়ামুল লাইল: এশার নামাজের পর তারাবিহ এবং শেষ রাতে সাহরির আগে অন্তত দুই রাকাত তাহাজ্জুদ পড়ার অভ্যাস করা। রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, “যে ব্যক্তি ঈমানের সাথে ও সওয়াবের আশায় রমজানের রাতে কিয়াম (সালাত) আদায় করবে, তার পূর্ববর্তী গুনাহ ক্ষমা করা হবে।”

• দান-সদকা ও যাকাত: রমজান মাসে প্রতিটি নফল আমলের সওয়াব ফরজের সমান। অসহায় প্রতিবেশী ও আত্মীয়স্বজনের হক আদায় করা এবং যাকাতযোগ্য সম্পদ থাকলে তা এই মাসেই বন্টন করা উত্তম।

• ইফতার ও দোয়া: ইফতারের আগমুহূর্তে দোয়া করা রোজাদারের জন্য একটি বিশেষ প্রাপ্তি। নবীজি (সা.) বলেছেন, “ইফতারের সময় রোজাদারের দোয়া ফিরিয়ে দেওয়া হয় না।”

• মানবিক আচরণ: রমজান আমাদের সহমর্মিতা শেখায়। অধিনস্থ কর্মচারী বা কাজের মানুষের কাজের চাপ কমিয়ে দেওয়া এবং সবার সাথে হাসিমুখে কথা বলাও ইবাদতের অংশ।

৪. রমজানে যা বর্জনীয়

রোজা কেবল পেটের নয়, বরং চোখ, কান ও জিহ্বারও। তাই নিচের বিষয়গুলো কঠোরভাবে বর্জন করতে হবে:

• জবানের অপব্যবহার: মিথ্যা বলা, গীবত (পরনিন্দা), তর্কে লিপ্ত হওয়া বা কাউকে গালি দেওয়া সম্পূর্ণ বর্জনীয়। রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, “যে ব্যক্তি মিথ্যা কথা ও মন্দ কাজ ত্যাগ করল না, তার না খেয়ে থাকাতে আল্লাহর কোনো প্রয়োজন নেই।” (সহিহ বুখারি)

• অতিরিক্ত অপচয়: ইফতারের নামে হরেক পদের খাবারের বিলাসিতা ও অপচয় করা রমজানের ত্যাগের শিক্ষার পরিপন্থী। মিতব্যয়িতা এই মাসের বড় শিক্ষা।

• সময় অপচয়: অনর্থক সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহার, গেম খেলা বা আড্ডাবাজি করে ইবাদতের মূল্যবান সময় নষ্ট করা যাবে না।

• অনৈতিক ব্যবসায়িক মানসিকতা: রমজানকে পুঁজি করে মজুদদারি বা নিত্যপণ্যের দাম বাড়ানো অত্যন্ত জঘন্য কাজ। ব্যবসায়ীদের উচিত এই মাসে মুনাফার চেয়ে সেবার মানসিকতা রাখা।

• অসংযত রাগ: ক্ষুধার কারণে খিটখিটে মেজাজ বা অন্যের ওপর রাগ প্রকাশ করা থেকে বিরত থাকতে হবে। কেউ উসকানি দিলেও তাকে বলতে হবে, “ইন্নী সায়িম” (আমি রোজাদার)।

৫. শারীরিক প্রস্তুতি ও খাদ্যাভ্যাস

রোজা পালনের জন্য সুস্থ শরীর অপরিহার্য। তাই রমজানে অতিরিক্ত তৈলাক্ত ও ভাজাপোড়া খাবার এড়িয়ে পুষ্টিকর ও সহজপাচ্য খাবার গ্রহণের পরিকল্পনা করা উচিত। সাহরিতে পরিমিত পানি পান করা এবং পর্যাপ্ত বিশ্রাম নেওয়া জরুরি যাতে ইবাদতে ক্লান্তি না আসে।

উপসংহার

রমজান আমাদের সামনে একটি সুবর্ণ সুযোগ হিসেবে আসে। আমাদের প্রস্তুতি যদি কেবল কেনাকাটা আর বাহারি ইফতারের আয়োজনে সীমাবদ্ধ থাকে, তবে আমরা এই মাসের প্রকৃত নূর থেকে বঞ্চিত হবো। আসুন, আমরা আত্মিক ও জাগতিকভাবে এমনভাবে প্রস্তুতি নিই, যেন এবারের রমজান আমাদের জীবনের মোড় ঘুরিয়ে দেয়। আল্লাহ আমাদের সকলকে সুস্থতার সাথে পুরো রমজান মাস সিয়াম ও কিয়াম পালনের তৌফিক দান করুন আমীন।

লেখক, মাওলানা মির্জা নাইমুল হাসান বেগ।


শেয়ার করতে ক্লিক করুন:

আমাদের বরিশাল ডটকম -এ প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
(মন্তব্যে প্রকাশিত মত মন্তব্যকারীর একান্তই নিজস্ব। amaderbarisal.com-এর সম্পাদকীয় অবস্থানের সঙ্গে এসব অভিমতের মিল আছেই এমন হবার কোনো কারণ নেই। মন্তব্যকারীর বক্তব্যের বিষয়বস্তু বা এর যথার্থতা নিয়ে amaderbarisal.com কর্তৃপক্ষ আইনগত বা অন্য কোনো ধরনের কোনো দায় নেবে না।)
বদর দিবস ও সমকালীন বিশ্ব: ঈমানি শক্তিতে জেগে ওঠার আহ্বান
জানের প্রস্তুতি ও সফল সিয়াম সাধনার পূর্ণাঙ্গ
শবেবরাতে আমল ও ফজিলত
‘লাইলাতুম মুবারাকা’ বা বরকতময় রাত
পুরনো রূপে ফিরছে লাকুটিয়ার জমিদার বাড়ি
ভালো নেই বরিশালের তবলা শিল্প
” মাটির সাথে কৃষকের মেলবন্ধন ” – বাঙালির ঐতিহ্য “‘নবান্ন উৎসব “
Recent: Mayor Hiron Barisal
Recent: Barisal B M College
Recent: Tender Terror
Kuakata News

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
আমাদের বরিশাল ২০০৬-২০২০

প্রকাশক ও নির্বাহী সম্পাদক: মোয়াজ্জেম হোসেন চুন্নু, সম্পাদক: রাহাত খান
৪৬১ আগরপুর রোড (নীচ তলা), বরিশাল-৮২০০।
ফোন : ০৪৩১-৬৪৫৪৪, ই-মেইল: hello@amaderbarisal.com