Home » পটুয়াখালী » বাউফল » বাউফলে জামাত -বিএনপি’র সংঘর্ষের মামলায় জামায়াত নেতাসহ গ্রেপ্তার ৩
১২ August ২০২৬ Wednesday ৫:২৩:০৩ PM
বাউফলে জামাত -বিএনপি’র সংঘর্ষের মামলায় জামায়াত নেতাসহ গ্রেপ্তার ৩
অনলাইন নিউজ ডেস্ক:
পটুয়াখালীর বাউফলের দুর্গম চরাঞ্চল চন্দ্রদ্বীপ ইউনিয়নের চর রায়সাহেব বাজারে বিএনপি, জামায়াত ও শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের নেতাকর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
বুধবার (১২ আগস্ট) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে উপজেলার নাজিরপুর ইউনিয়নের নিমদী এলাকা থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। পরে তাদের আদালতে পাঠানো হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন- চন্দ্রদ্বীপ ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ড (চর রায়সাহেব) জামায়াতের সভাপতি সোহাগ, একই ইউনিয়ন শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক সাইফুল এবং আল-আমিন।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গত সোমবার (১০ আগস্ট) রাত ৯টার দিকে চন্দ্রদ্বীপ ইউনিয়নের লালচরে মহিষের পালে জেলেদের মাছ ধরার চাই নষ্ট হওয়ার ঘটনাকে কেন্দ্র করে বিরোধের মীমাংসায় চর রায়সাহেব বাজারে সালিস বৈঠক বসে। বৈঠকে জামায়াত নেতা সোহাগ, শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক সাইফুলসহ সংশ্লিষ্ট সংগঠনের ৮ থেকে ১০ জন নেতাকর্মী উপস্থিত ছিলেন।
সালিস চলাকালে উভয় পক্ষের মধ্যে তর্কবিতর্কের একপর্যায়ে হাতাহাতি এবং পরে মারামারির ঘটনা ঘটে। এতে শাহিন রাড়ি, মাঈনুদ্দিন, সোহেল রাড়ি, মামুন, ইউনুস, মমতাজ ও রানী বেগমসহ সাতজন আহত হন।
আহতদের মধ্যে শাহিন রাড়ি ও মাঈনুদ্দিনকে বাউফল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। অন্যদের চর রায়সাহেব এলাকায় প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়।
হামলার শিকার মাঈনুদ্দিন অভিযোগ করেন, চন্দ্রদ্বীপ ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ড জামায়াতের সভাপতি সোহাগ ও ইউনিয়ন শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক সাইফুলের নেতৃত্বে ৮ থেকে ১০ জন তাদের ওপর হামলা চালান।
আহত শাহিন রাড়ি অভিযোগ করেন, হামলাকারীরা তার কাছ থেকে জমি বিক্রির ৫০ হাজার টাকা ছিনিয়ে নিয়েছেন।
এদিকে চন্দ্রদ্বীপ ইউনিয়ন জামায়াতের সভাপতি আমিনুল ইসলাম ঘটনার আংশিক সত্যতা স্বীকার করে বলেন, ‘লালচরে মহিষ পালনকারীদের কাছ থেকে চাঁদা নেওয়ার অভিযোগ ওঠায় কয়েকজন অভিযুক্তকে নিয়ে তারা বসেছিলেন। তাদের সঙ্গে কথা বলার একপর্যায়ে অপর পক্ষ উত্তেজিত হয়ে হাতাহাতিতে জড়িয়ে পড়ে। পরে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।’
বাউফল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক ডা. শাহারিয়া বলেন, ‘আহত শাহিন রাড়ির মাথায় ধারালো অস্ত্রের ১৪ সেন্টিমিটার আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। তার বাম হাতের কাঁধেও ফুলা জখম রয়েছে। এছাড়া মাঈনুদ্দীনের শরীরেও আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে।’
বাউফল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সিরাজুল ইসলাম বলেন, ‘মারামারির ঘটনায় মাঈনুদ্দিন বাদী হয়ে সাতজনের নাম উল্লেখ করে এবং আরও চার থেকে পাঁচজনকে অজ্ঞাতনামা আসামি করে মামলা করেছেন। ওই মামলায় তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাদের আদালতে পাঠানো হয়েছে।’
আমাদের বরিশাল ডটকম -এ প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
(মন্তব্যে প্রকাশিত মত মন্তব্যকারীর একান্তই নিজস্ব। amaderbarisal.com-এর সম্পাদকীয় অবস্থানের সঙ্গে এসব অভিমতের মিল আছেই এমন হবার কোনো কারণ নেই। মন্তব্যকারীর বক্তব্যের বিষয়বস্তু বা এর যথার্থতা নিয়ে amaderbarisal.com কর্তৃপক্ষ আইনগত বা অন্য কোনো ধরনের কোনো দায় নেবে না।)
বরিশালের নতুন ডিআইজি জুলফিকার আলী
প্রার্থী চূড়ান্ত করল বিএনপি, রাষ্ট্রপতি হচ্ছেন মির্জা ফখরুল
তিন সন্দেহে বরিশালে মাঠে পুলিশ, হেমায়েতপুরে জেএমবির আস্তানায় অভিযান