ইসরাইলের পণ্য বর্জনের আহ্বান চরমোনাই পীরের নিজস্ব প্রতিবেদক
ইসরাইলের পণ্য বর্জনের আহ্বান জানিয়ে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমীর চরমোনাই পীর সৈয়দ মোহাম্মদ রেজাউল করীম বলেন- ফিলিস্থিনের গাজায় মুসলমানদের রক্ত স্রোত বইছে। ৮ জুলাই থেকে গণহত্যায় এ পর্যন্ত ১৯৫০ মুসলিম শাহাদাৎ বরন করেছেন। এর অধিকাংশই নারী ও শিশু। ১০ হাজার ৫ শত আহত ফিলিস্তনিদের চিকিৎসার মত কোন ব্যবস্থা নেই।
তাই মুসলিম বিশ্বের সকল নেতাদের ঐক্যবদ্ধ হয়ে ইয়াহুদী-খৃষ্টানসহ সকল বিজাতীয়দের মোকাবেলা করা এখন সময়ের দাবী।
তিনি আরো বলেন- আসুন ফিলিস্তিনি ভাইদের প্রতি সহমর্মিতা প্রকাশ করি, মিছিল, মিটিং, জনসভা ও লিখনির মাধ্যমে বিশ্ব বিবেক জাগ্রত করি, ফিলিস্তিনিদের জন্য ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের তহবিলে অনুদান দিয়ে দুতাবাসের মাধ্যমে আর্থিক সহযোগীতা করি। ইসরাইলের সকল পণ্য বর্জন করি।
শনিবার বিকেল ৩ টায় নগরীর ফজলুল হক এ্যাভিনিউতে ইসরাইলি ইয়াহুদী কর্তৃক নিরীহ ফিলিস্তনিদের ওপর হামলা ও গণহত্যার প্রতিবাদ সমাবেশে তিনি এ কথা বলেন।
ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ বরিশাল জেলা ও মহানগর শাখার উদ্যোগে এ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। সমাবেশে বিশেষ অতিথি ছিলেন সংগঠনের নায়েবে আমীর পীরে কামেল চরমোনাই সৈয়দ মুহাম্মাদ ফয়জুল করীম।
সমাবেশে বক্তব্য রাখেন- মহানগর প্রশিক্ষণ সম্পাদক মাওলানা আলী আরাফাত, জেলা সাংগঠনিক সম্পাদক মাওলানা আবুল খায়ের, শ্রমিক আন্দোলন মহানগরের সাধারণ সম্পাদক মোঃ ফজলুর রহমান, শ্রমিক আন্দোলন জেলার সাধারণ সম্পাদক মাওলানা নাঈম হোসেন।
উজিরপুর থানা সভাপতি মাওলানা রিয়াজুল ইসলাম, আগৈলঝাড়া থানার সভাপতি মাওলানা আবু ইসহাক, বাকেরগঞ্জ পূর্ব থানার সাধারণ সম্পাদক মাওলানা মাহাবুব হোসাইন ইলিয়াস, হিজলা থানার সাধারণ সম্পাদক মুজিবুর রহমান তালুকদার।
বরিশালস্থ কাউনিয়া থানার সভাপতি মাওলানা আবুল কালাম, মডেল উত্তর থানার সভাপতি মাওলানা শাহাদাৎ হোসেন নুরী, মডেল দক্ষিন থানার সভাপতি মাওলানা মাহাবুবুর রহমান, বিমানবন্দর থানার সভাপতি শামসুল আলম মামুন ও ছাত্র নেতা মোঃ সিরাজুল ইসলাম, মোঃ সাইফুল ইসলাম প্রমুখ ।
সমাবেশ শেষে বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়। ইসরাইলের প্রতি ঘৃনা ও ক্ষোভ প্রকাশ করে মিছিলটি নগরীর প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে পূনরায় ফজলুল হক এ্যাভিনিউতে এসে দোয়া মোনাজাতের মাধ্যমে সমাপ্তি ঘটে।
সম্পাদনা: বরি/প্রেস/মপ |