Home » পটুয়াখালী » বাউফল » বাউফলের একটি সড়ক ৩০ বছরেও পাকা হয়নি, কাদায় থমকে ১০ হাজার মানুষের জীবন
৯ September ২০২৬ Wednesday ১:০৬:৫৮ PM
বাউফলের একটি সড়ক ৩০ বছরেও পাকা হয়নি, কাদায় থমকে ১০ হাজার মানুষের জীবন
বাউফল (পটুয়াখালী) সংবাদদাতা:
পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলার মদনপুরা ইউনিয়নের মধ্য মদনপুরা বদর আলী খান জামে মসজিদ থেকে পশ্চিম মাঝপাড়া গ্রামের সোনামদ্দিন মৃধা মাধ্যমিক বিদ্যালয় পর্যন্ত প্রায় ১ হাজার ৮০০ মিটার মাটির সড়ক। প্রায় ৩০ বছর আগে সড়কে মাটির কাজ হলেও আজও সড়কের ভাগ্য বদলায়নি। দীর্ঘদিন সংস্কার ও পাকা না হওয়ায় সড়কটি এখন প্রায় চলাচলের অনুপযোগী। সরেজমিনে দেখা যায়, উপজেলার মধ্য মদনপুরা পাকা সড়ক থেকে পশ্চিম মাঝপাড়া হয়ে সোনামদ্দিন মৃধা মাধ্যমিক বিদ্যালয় পর্যন্ত পুরো পথটিই কাঁচা। দীর্ঘদিন সংস্কারের অভাবে সড়কের বিভিন্ন অংশে তৈরি হয়েছে অসংখ্য খানাখন্দ। বৃষ্টির পানি জমে কোথাও কোথাও কাদার গভীরতা হাঁটু পর্যন্ত পৌঁছেছে। সড়কের পাশ থেকে বালির বস্তা ফেলে কোনোভাবে তৈরি করা সরু পথ দিয়েই স্থানীয়দের চলাচল করতে হচ্ছে। পিচ্ছিল ওই পথে পা পিছলে প্রায়ই দুর্ঘটনার শিকার হচ্ছেন বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা। সবচেয়ে বেশি বিপাকে পড়ছেন শিক্ষার্থী, অসুস্থ রোগী, গর্ভবতী নারী, শিশু ও বয়স্করা। সড়কটি দিয়ে সোনামদ্দিন মৃধা মাধ্যমিক বিদ্যালয়সহ একাধিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থী ও শিক্ষকরা চলাচল করেন। কিন্তু বর্ষা মৌসুমে সড়কের দুরবস্থার কারণে বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের উপস্থিতিও কমে যায়। স্থানীয় বাসিন্দা মো. কামাল মুন্সী বলেন, ‘এই সড়কে এখন কোনো গাড়ি চলাচল করে না। কেউ অসুস্থ হলে তাকে হাসপাতালে নেওয়াটাও বড় সমস্যা হয়ে দাঁড়ায়। গর্ভবতী নারী, শিশু ও বৃদ্ধদের সবচেয়ে বেশি কষ্ট হয়। জরুরি প্রয়োজনে অনেক সময় মানুষকে কাঁধে করে কিংবা অন্যভাবে সড়কের খারাপ অংশ পার করতে হয়। আরেক বাসিন্দা মো. নিয়াজ খান বলেন, প্রায় ৩০ বছর আগে এখানে মাটির সড়ক নির্মাণ করা হয়েছিল। এরপর অনেক সরকার এসেছে-গেছে, কিন্তু সড়কটির আর উন্নয়ন হয়নি। চার গ্রামের হাজার হাজার মানুষের দুর্ভোগের কথা বিবেচনা করে দ্রæত সড়কটি পাকাকরণের দাবি জানাচ্ছি।’ সোনামদ্দিন মৃধা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. মোশাররফ হোসেন বলেন, ‘এটি চার গ্রামের মানুষের প্রধান চলাচলের সড়ক। বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ও শিক্ষকরা প্রতিদিন এ পথ ব্যবহার করেন। বর্ষায় হাঁটুসমান কাদা হয়ে যাওয়ায় শিক্ষার্থীদের বিদ্যালয়ে আসতে অনেক সমস্যা হয়। এ কারণে বর্ষা মৌসুমে উপস্থিতিও কমে যায়। শিক্ষার্থীদের স্বাভাবিক শিক্ষাজীবন নিশ্চিত করতে দ্রæত সড়কটি নির্মাণ করা প্রয়োজন।’ এ বিষয়ে বাউফল উপজেলা এলজিইডির উপসহকারী প্রকৌশলী মো. ফয়সাল ফরাজী বলেন, সড়কটি পাকাকরণের জন্য সরেজমিনে পরিদর্শন করা হবে। পরিদর্শনের পর প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
আমাদের বরিশাল ডটকম -এ প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
(মন্তব্যে প্রকাশিত মত মন্তব্যকারীর একান্তই নিজস্ব। amaderbarisal.com-এর সম্পাদকীয় অবস্থানের সঙ্গে এসব অভিমতের মিল আছেই এমন হবার কোনো কারণ নেই। মন্তব্যকারীর বক্তব্যের বিষয়বস্তু বা এর যথার্থতা নিয়ে amaderbarisal.com কর্তৃপক্ষ আইনগত বা অন্য কোনো ধরনের কোনো দায় নেবে না।)
বরিশালের নদ-নদীতে ইলিশের দেখা, মা মাছ নিয়ে শঙ্কা