বামনায় চুরি-ডাকাতি বৃদ্ধি বামনা প্রতিনিধি
বামনা :: উপজেলা সদরে গত ১ মাসে উপজেলা চেয়ারম্যান ও সাংবাদিক সহ ১০ বাড়ি চুরি সংগঠিত হয়েছে। এছারা একটি দুধর্ষ ডাকাতির ঘটনা ঘটেছে রামনা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান বাড়িতে। পুলিশ ডাকাতির ঘটনা স্থল থেকে আলামত হিসেবে খুলির খোসা ও ডাকাতির কাজে ব্যবহার হয় এমন যন্ত্রাংশ উদ্ধার করলেও অজানা কারনে ডাকাতির মামলা না নেওয়ায় ক্ষতিগ্রস্থ্য পরিবার আদালতে মামলা করলে অবশেষে আদালতের নির্দেশে ডাকাতি মামলা রেকর্ড করতে বাধ্য হয় বামনা থানা পুলিশ।
জানাযায়, বুধবার গভীর রাতে দৈনিক ডেসটিনি বামনা প্রতিনিধি মনোতোষ হাওলাদার এর বাসা, মালাকর বাড়ি, নিজাম এর বাড়িতে চুরি সংগঠিত হয়েছে। এতে সাংবাদিকের ক্যামেরা সহ ওই চোর চক্র লক্ষাধীক টাকার মালামাল হাতিয়ে নিয়ে যায়। গত ২২ ডিসেম্বর বামনা উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান সৈয়দ মানজুরুর রব মুর্তাযা আহসান ও দৈনিক দিনকালের প্রতিনিধি মো. শহিদুল ইসলামের বাড়ি সহ বামনা উপজেলা সদরের ১০টি বাড়িতে চুরি সংঘঠিত হয়েছে।
এছাড়া গত ১০ জানুয়ারী বৃস্পতিবার দিবাগত রাতে উপজেলা রামনা ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান আ. খালেক জমাদ্দারের ভাই বারেক জমাদ্দারের ঘরে ডাকাতি সংঘঠিত হয়। ডাকাতিকালে পরিবার প্রধান ও ডাকাতদের মধ্যে ২৪ রাউন্ড গুলি বিনিময়ের ঘটনা ঘটে। পুলিশ ঘটনা স্থল থেকে আলামত হিসেবে খুলির খোসা ও ডাকাতির কাজে ব্যবহার করা যন্ত্রাংশ উদ্ধার করে।
কিন্তু ওই ঘটনায় পুলিশ ডাকাতি মামলা নিতে অপরাগতা প্রকাশ করে ক্ষতিগ্রস্থ্য পরিবারকে চুরি মামলা করতে বলায় ওই পরিবার বরগুনা জেলা চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে গত মঙ্গলবার বারেক জমাদ্দার বাদী হয়ে একটি মামলা দায়ের করলে বিজ্ঞ চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের নির্দেশে বামনা থানা ডাকাতি মামলা হিসেবে রেকর্ড করেন।
এব্যাপারে বামনা থানা অফিসার ইন চার্জ মো. মনিরুজ্জামান বলেন, কোর্টের নির্দেশে ডাকাতি মামলাটি রেকর্ড করা হয়েছে এবং চুরি ডাকাতি কার্যে সন্ধেহভাজন সম্পৃক্তদের তালিকা করা হয়েছে আজ থেকে এদের বিরুদ্ধে অভিযান পরিচালনা করা হবে।
সম্পাদনা: বরিশাল ডেস্ক |