শ্রম শ্রমিক আর স্বপ্ন রবিউল হাসান রবিন, কাউখালী
শ্রমজীবি নারী ফরিদা। স্বামী আ. রহিম। স্ত্রী, পুত্র ও সংসারের খবর নেন না স্বামী। ফরিদার ছেলে ফেরদৌস (৫), মেয়ে বিথি (৭) কে নিয়ে থাকেন উপজেলার ২ নং আমরাজুড়ী ইউনিয়নের কমিয়ান গ্রামে।
মেয়ে বিথি কুমিয়ার মরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিশু শ্রেণিতে পড়ে। অভাব অনাটনে সংসারে মাথার ঘাম পায় ফেলে দিনরাত শ্রমিক হিসাবে ভাঙ্গছেন ইট-পাথর। আর স্বপ্ন দেখেন কিভাবে ছেলে মেয়েদের মানুষ করবেন।
শাহিদা (৫০)। স্বামী আবুল মাঝি। বর্তমানে প্যারালাইসিস অবস্থায় আছেন। শাহিদার চার ছেলে দুই মেয়ে। ছেলেরা দিনমজুর। থাকে যার যার মত আলাদা।
শাহিদার মূল বাড়ি উপজেলার ২ নং আমরাজুড়ি ইউনিয়নের আয়োয়া গ্রামে হলেও নদী ভাঙ্গনে তার ভিটা বাড়ি বিলীন হওয়ায় স্থায়ী ভাবে বসবাস করেন উপজেলার কুমিয়ান গ্রামে। বর্তমানে সে পাথর ও ইট ভাঙ্গার কাজ করেন সন্ধ্যা নদীর তীরে আমরাজুড়ী ইউনিয়নের কুমিয়ান গ্রামে।
|