বরগুনার বামনা উপজেলার নিজ আমতলী গ্রামে অভিযান চালিয়ে এক মাদক বিক্রেতা ও দুই সেবনকারীকে ৫০ পিচ ইয়াবাসহ আটক করে বামনা থানা পুলিশ।আটক দুজনের অভিযোগ,ঘটনাস্থলেই মূল বিক্রেতা মো. সানিকে (২০) ছেড়ে দেয় অভিযান পরিচালনা কারী পুলিশের এসআই মো. হুমায়ুন। শুক্রবার দুপুরে আটককৃতদের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য আইনে মামলা নিয়ে বরগুনা কোর্টে পাঠানো হয়েছে।
সানি উপজেলার পশ্চিম সফিপুর গ্রামের মো. আব্দুল খালেকের ছেলে। আটক কৃত ওই দুই মাদক সেবীরা হলেন উপজেলার ঢুষখালী গ্রামের সুলতান মিয়ার ছেলে শাহীন ওরফে চায়না শাহীন (২১) ও একই গ্রামের হারুন খন্দকারের ছেলে মিলন খন্দকার (২০)।
আটককৃত মো. শাহীন হোসেন বামনা থানায় সাংবাদিকদের বলেন, বৃহস্পতিবার রাতে মাদক বিক্রেতা সানির কাছ থেকে আমি ও আমার বন্ধু মিলন দুজনে ইয়াবা নিতে নিজ আমতলীতে যাই। হুমায়ুন স্যার আমাদের তিন জনকে হাতে নাতে আটক করে। পুলিশ আমার দেহ তল্লাশী করে আমার কাছে ইয়াবা পেলেও আমার সাথের বন্ধুটির কাছে তখন কিছুই পায়নি। তবে তারা মূল বিক্রেতা সানিকে তল্লাশী করে কিছু না পেয়ে ঘটনা স্থলেই তাকে ছেড়ে দিয়েছে। আমাকে আর আমার বন্ধুকে গ্রেপ্তার করে থানায় এনেছে।
তার দাবি, পুলিশ সানির কাছে কোনো মাদক না পাওয়ায় তাকে যেমন ছেড়ে দিয়েছে তাহলে তার বন্ধু মিলনকে কেন তারা ছাড়লো না।
বামনা থানার এসআই হুমায়ুন জানায়, আমরা গোপন সংবাদ পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছাই। আমাদের দেখে সবাই দৌঁড়ে পালাতে চেষ্টা করে। তখন আমরা দুজনকে আটক করতে সক্ষম হই। বাকি একজন পালিয়ে যায়।
বামনা থানার ওসি মো. হাবিবুর রহমান বলেন, ইয়াবাসহ আটক দুইজনের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য আইনে মামলা নিয়ে বরগুনা কোর্টে পাঠানো হয়েছে।
আমাদের বরিশাল ডটকম -এ প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
(মন্তব্যে প্রকাশিত মত মন্তব্যকারীর একান্তই নিজস্ব। amaderbarisal.com-এর সম্পাদকীয় অবস্থানের সঙ্গে এসব অভিমতের মিল আছেই এমন হবার কোনো কারণ নেই। মন্তব্যকারীর বক্তব্যের বিষয়বস্তু বা এর যথার্থতা নিয়ে amaderbarisal.com কর্তৃপক্ষ আইনগত বা অন্য কোনো ধরনের কোনো দায় নেবে না।)