ঝালকাঠি পৌর গোরস্থান এখানেই ঘুমিয়ে আছেন কারো মা, কারো বাবা, ভাইবোন কিংবা সন্তান। প্রিয়জনকে হারিয়ে যারা আজো শোকে কাতর, তাদের একমাত্র সান্ত্বনা হলো মাঝে মাঝে কবর জিয়ারত করা। কিন্তু সেই সুযোগও যেন হারিয়ে যাচ্ছে পৌর কর্তৃপক্ষের অবহেলায়।
অযত্ন-অবহেলায় দীর্ঘদিন ধরে পড়ে থাকা এই গোরস্থান আজ পরিণত হয়েছে লতা-পাতায় আচ্ছাদিত বনজঙ্গলে। কবরের পাশ দিয়ে হাঁটার মতো সঠিক পথও নেই। স্বজনদের কবর দেখতে গিয়ে অনেকেই ঝোপঝাড়ের কারণে প্রবেশ করতে পারছেন না। এতে দুঃখের সঙ্গে সঙ্গে ক্ষোভও প্রকাশ করছেন এলাকাবাসী।
স্থানীয়দের অভিযোগ, পৌর কর্তৃপক্ষ নিয়মিত পরিচর্যা করলে এ অবস্থার সৃষ্টি হতো না। একজন স্বজনহারা মানুষ যখন প্রিয়জনের কবর জিয়ারত করতে গিয়ে জঙ্গলের ভেতরে ঢুকতে পারেন না, তখন সেটা কেবল কষ্টের নয়, এক ধরনের অসম্মানও বটে।
মানুষের শেষ ঠিকানা এই গোরস্থানের যথাযথ পরিচর্যা ও রক্ষণাবেক্ষণের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা। তারা বলছেন, মৃতদের প্রতি সম্মান দেখাতে হলে গোরস্থানকে পরিচ্ছন্ন রাখা সবার আগে জরুরি।
এ বিষয়ে ঝালকাঠির পৌর প্রশাসক মোঃ কাওসার হোসেন জানান, প্রতি বছরই পৌর কর্তৃপক্ষ গোরস্থান পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন করেন। এ বছর পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন করার এবং কবরস্থানে প্রবেশ করার জন্য রাস্তা তৈরির প্রকল্প হাতে নিয়েছি। আগামী সপ্তাহে কাজ শুরু হবে।
আমাদের বরিশাল ডটকম -এ প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
(মন্তব্যে প্রকাশিত মত মন্তব্যকারীর একান্তই নিজস্ব। amaderbarisal.com-এর সম্পাদকীয় অবস্থানের সঙ্গে এসব অভিমতের মিল আছেই এমন হবার কোনো কারণ নেই। মন্তব্যকারীর বক্তব্যের বিষয়বস্তু বা এর যথার্থতা নিয়ে amaderbarisal.com কর্তৃপক্ষ আইনগত বা অন্য কোনো ধরনের কোনো দায় নেবে না।)
মঞ্চ সাজিয়েও উদ্বোধনী দিনে বন্ধ হলো বাণিজ্য মেলা
কর্মস্থলে অনুপস্থিত, নৌ প্রতিমন্ত্রীর নির্দেশে ১৬ কর্মকর্তা-কর্মচারীকে স্ট্যান্ড রিলিজ
আগামী ৬ জুন শেবাচিমে চালু হবে হেমাটোলজি ডে কেয়ার ইউনিট
আবুল হাসানাত আব্দুল্লাহ সহ ৪ জনের বিচার শুরু
শেবাচিম হাসপাতালে নবজাতকের মৃত্যু ঘিরে স্বজনদের সঙ্গে ইন্টার্ন চিকিৎসকদের সংঘর্ষ