Home » ভোলা » ভোলা সদর » ভোলায় ভুল চিকিৎসায় নবজাতকের মৃত্যুর অভিযোগ, ক্লিনিকে হামলা
২২ May ২০২৬ Friday ৯:৫১:১৩ PM
ভোলায় ভুল চিকিৎসায় নবজাতকের মৃত্যুর অভিযোগ, ক্লিনিকে হামলা
ভোলা প্রতিনিধি:
ভোলায় ভুল চিকিৎসায় নবজাতকের মৃত্যুর অভিযোগ ওঠেছে ইসলামীয়া মেডিকেল সেন্টার নামের একটি ক্লিনিকের কর্তব্যরত চিকিৎসক ও নার্সদের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় নিহত নবজাতকের বিক্ষুব্ধ স্বজনরা ক্লিনিকটিতে হামলা ও ভাঙচুর চালায়।
শুক্রবার (২২ মে) বিকেল ৫টার দিকে ভোলা শহরের মাছুমা খানম স্কুল রোডের ইসলামীয়া মেডিকেল সেন্টারে এ ঘটনা ঘটে।
পুলিশ ও নিহত শিশুর পরিবার সূত্রে জানা গেছে, সদর উপজেলার উত্তর দিঘলদী ইউনিয়নের ঢ়াড়িরহাট এলাকার বাসিন্দা মো. পারভেজের অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রী হোসনেয়ারা বেগম জ্বরে আক্রান্ত হলে বৃহস্পতিবার ভোলা শহরের ইসলামীয়া মেডিকেল সেন্টারে ভর্তি করা হয়। ওই ক্লিনিকের চিকিৎসক ডা. মনিরা সুলতানা প্রসবের (ডেলিভারি) নির্ধারিত তারিখের ১৬ দিন আগেই শুক্রবার (২২ মে) বিকেলে প্রসূতির অস্ত্রোপচার করেন। এতে গর্ভের নবজাতক মারা যায়।
প্রসূতির স্বামী মো. পারভেজ হাওলাদারের অভিযোগ, অস্ত্রোপচারের জন্য রোগী শারীরিকভাবে ফিট ছিল না। তাড়াহুড়া করে তার অস্ত্রোপচার করায় এই মৃত্যু হয়।
নিহত নবজাতকের ফুফু খাদিজা আক্তার জানান, ভাবীকে জ্বর নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি করানোর পর খিচুনি দেখা দেয়। খিচুনির চিকিৎসা না করে ডাক্তার সিজার করার জন্য শুক্রবার বিকাল ৩টার দিকে অপারেশন থিয়েটারে নিয়ে যায়।প্রায় দেড় ঘন্টা পর ডাক্তার মনিরা বের হয়ে রোগীর স্বজনদের ধমক দেন যে কেনো আরো আগে সিজার করানো হয়নি। পরে তারা জানতে পারেন নবজাতক মারা গেছে এবং মায়ের অবস্থাও সংকটাপন্ন।
এদিকে ঘটনার পর বিক্ষুব্ধ স্বজনরা ক্লিনিকের সামনে অবস্থান নিয়ে চিকিৎসক ও নার্সদের অবরুদ্ধ করে বিক্ষোভ করেন। পরে পুলিশ এসে বিক্ষোভকারীদের শান্ত করে হাসপাতালের মূল গেটের তালা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করে রোগী ও চিকিৎসার বিভিন্ন আলামত সংগ্রহ করে। এ সময় হাসপাতালের ভেতরে চিকিৎসাধীন কয়েকজন রোগীকে বের হয়ে যেতে দেখা গেছে।
ইসলামীয়া মেডিকেল সেন্টারের ম্যানেজার বিল্লাল হোসেন জানান, ওই রোগীকে বৃহস্পতিবার ভর্তি করার পর রক্ত সংগ্রহ করতে না পারায় অভিভাবকদের সিদ্ধান্তে আজ (শুক্রবার) সিজার করা হয়। এটা ছিল রোগীর দ্বিতীয় সিজার। সিজারের আগেই ডাক্তার তাদেরকে (রোগীর পরিবারকে) বলেছেন রোগীর অবস্থা খারাপ। আপনারা সিদ্ধান্ত দিলে সিজার করব। পরে তাদের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী অপারেশন করা হয়। প্রসবের পরে নবজাতকের অবস্থা খারাপ দেখে ভোলা হাসপাতালে পাঠানো হয়। সেখানেই (ভোলা হাসপাতালেই) শিশু মারা যায়।
ভোলা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুহাম্মদ মনিরুল ইসলাম জানান, রোগীর মৃত্যুর ঘটনাকে কেন্দ্র করে হাসপাতাল ভাঙচুরের খবর পেয়ে থানা থেকে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। সরেজমিন তদন্ত করে আসার পর আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
আমাদের বরিশাল ডটকম -এ প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
(মন্তব্যে প্রকাশিত মত মন্তব্যকারীর একান্তই নিজস্ব। amaderbarisal.com-এর সম্পাদকীয় অবস্থানের সঙ্গে এসব অভিমতের মিল আছেই এমন হবার কোনো কারণ নেই। মন্তব্যকারীর বক্তব্যের বিষয়বস্তু বা এর যথার্থতা নিয়ে amaderbarisal.com কর্তৃপক্ষ আইনগত বা অন্য কোনো ধরনের কোনো দায় নেবে না।)
মঞ্চ সাজিয়েও উদ্বোধনী দিনে বন্ধ হলো বাণিজ্য মেলা
কর্মস্থলে অনুপস্থিত, নৌ প্রতিমন্ত্রীর নির্দেশে ১৬ কর্মকর্তা-কর্মচারীকে স্ট্যান্ড রিলিজ
আগামী ৬ জুন শেবাচিমে চালু হবে হেমাটোলজি ডে কেয়ার ইউনিট
আবুল হাসানাত আব্দুল্লাহ সহ ৪ জনের বিচার শুরু
শেবাচিম হাসপাতালে নবজাতকের মৃত্যু ঘিরে স্বজনদের সঙ্গে ইন্টার্ন চিকিৎসকদের সংঘর্ষ