Home » দশমিনা » পটুয়াখালী » দশমিনায় স্ত্রীর দাবি নিয়ে ইউপি সদস্যের বাড়িতে পপি ও মিম, জানলেন লামিয়ার সঙ্গে করছেন সংসার!
১৪ January ২০২৬ Wednesday ১:৩৩:২৬ PM
দশমিনায় স্ত্রীর দাবি নিয়ে ইউপি সদস্যের বাড়িতে পপি ও মিম, জানলেন লামিয়ার সঙ্গে করছেন সংসার!
দশমিনা ((পটুয়াখালী) প্রতিনিধি:
পটুয়াখালীর দশমিনা উপজেলায় এক ইউপি সদস্যের বসতঘরের সামনে স্বামীর স্বীকৃতি ও সন্তানদের পিতৃপরিচয় দাবিতে অবস্থান নেয়ার ঘটনা ঘটেছে।
অভিযুক্ত ইউপি সদস্য রনগোপালদী ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য আসাদুজ্জামান নওফেল। তিনি ওই ইউনিয়নের দেলোয়ার রাড়ীর ছেলে।
ভুক্তভোগী পপি বেগম ও মিম জানান, ইসলামী শরিয়ত অনুযায়ী কাবিননামা রেজিস্ট্রির মাধ্যমে নওফেল তাদের বিয়ে করেন। পপি বেগম ঢাকার কালীয়াকৈর উপজেলার ১ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা মো. বাবুল মিয়ার মেয়ে এবং মিম বরিশাল জেলার কদমতলী থানার মৃত ছাদেল হাওলাদারের মেয়ে। বিয়ের পর বিভিন্ন সময় নওফেল তাদের বাবার বাড়ি ও ভাড়া বাসায় রাখেন।
তাদের অভিযোগ, প্রায় এক বছর ধরে নওফেল কোনো খোঁজখবর না নেয়ায় তারা গত রোববার (১১ জানুয়ারি) স্বামীর বাড়িতে সন্তানদের নিয়ে আসেন। পপি বেগম তার তিন বছরের কন্যা সন্তান নওরিন এবং মিম তার তিন বছরের পুত্র সন্তানকে সঙ্গে নিয়ে আসেন। বাড়িতে এসে তারা জানতে পারেন, তাদের অনুপস্থিতিতে নওফেল গলাচিপা উপজেলার লামিয়া নামে এক নারীকে স্ত্রী হিসেবে সংসারে রেখেছেন।
পপি ও মিমের দাবি, বাড়িতে প্রবেশের চেষ্টা করলে নওফেল তাদের মারধর করে তাড়িয়ে দেন এবং সন্তানদেরও আঘাত করেন। এ সময় স্থানীয়রা এগিয়ে এসে তাদের রক্ষা করেন।
পরে দশমিনা থানা পুলিশ ও ইউনিয়নের প্যানেল চেয়ারম্যানকে জানানো হলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে। আপাতত সংরক্ষিত মহিলা ইউপি সদস্য লিপির জিম্মায় তাদের রাখা হয়েছে। তবে সেখানে থেকেও বিভিন্নভাবে প্রাণনাশের হুমকি পাচ্ছেন বলে অভিযোগ করেন তারা।
ভুক্তভোগী নারীরা আরও জানান, নওফেলের নেশা ও পেশা একাধিক বিয়ে করা এবং পরকীয়ার মাধ্যমে নারীদের ফাঁসিয়ে বিয়ে করা। এর আগেও তিনি বহু নারীকে বিয়ে ও তালাক দিয়েছেন।
তারা বলেন, আমরা স্বামীর ও সন্তানের পিতার স্বীকৃতি চাই। তা না পেলে আইনের আশ্রয় নেব।
এ বিষয়ে আসাদুজ্জামান নওফেলের বাবা দেলোয়ার রাড়ীর বিরুদ্ধে অভিযোগ করে তারা জানান, তিনি বলেছেন এর আগেও অনেক নারী এসেছিল, তাদের তাড়িয়ে দেয়া হয়েছে।
অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে ইউপি সদস্য আসাদুজ্জামান নওফেল বলেন, এটি পারিবারিক বিষয়। আমরা পারিবারিকভাবেই সমাধান করার চেষ্টা করছি।
রনগোপালদী ইউনিয়নের প্যানেল চেয়ারম্যান রুবেল জানান, খবর পেয়ে তিনি ঘটনাস্থলে গিয়ে বিষয়টি মীমাংসার চেষ্টা করেন। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে আসে এবং পপি ও মিমের মতামতের ভিত্তিতে তাদের সংরক্ষিত মহিলা ইউপি সদস্যের বাসায় রাখা হয়।
দশমিনা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবু সাঈদ মো. হাসনাইন পারভেজ জানান, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়। ভুক্তভোগীরা সামাজিকভাবে সমাধানের চেষ্টা করতে আগ্রহ প্রকাশ করেন। তবে তারা চাইলে আইনি ব্যবস্থা নিতে পারবেন এবং সে ক্ষেত্রে পুলিশ সর্বোচ্চ সহযোগিতা করবে।
আমাদের বরিশাল ডটকম -এ প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
(মন্তব্যে প্রকাশিত মত মন্তব্যকারীর একান্তই নিজস্ব। amaderbarisal.com-এর সম্পাদকীয় অবস্থানের সঙ্গে এসব অভিমতের মিল আছেই এমন হবার কোনো কারণ নেই। মন্তব্যকারীর বক্তব্যের বিষয়বস্তু বা এর যথার্থতা নিয়ে amaderbarisal.com কর্তৃপক্ষ আইনগত বা অন্য কোনো ধরনের কোনো দায় নেবে না।)
বরিশালে বাড়ছে এইচআইভি সংক্রমণ, আক্রান্তদের বড় অংশ তরুণ
শহীদ জিয়াকে অসময়ে হত্যা না করলে বাংলাদেশ সমৃদ্ধ রাষ্ট্রে পরিণত হতো:স্পীকার