পটুয়াখালীর বাউফলে ঈদুল আজহার সকালে আলমাস হোসেন মৃধা (৩৫) নামে এক ট্রলি চালকের ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। উপজেলার নাজিরপুর ইউনিয়নের তাঁতেরকাঠি সহিস্যা গ্রামে বৃহস্পতিবার (২৮ মে) সকাল ৭টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।
নিহত আলমাস হোসেন মৃধা ওই গ্রামের সিরাজ মৃধার ছেলে। তিনি পেশায় ট্রলি চালক ছিলেন।
স্থানীয় সূত্র ও পরিবার জানায়, প্রায় ৭ বছর আগে শিলা বেগম নামের এক নারীকে বিয়ে করেন আলমাস। তাদের সংসারে এক ছেলে ও এক মেয়ে রয়েছে। ট্রলি চালানোর সময় ফারজানা নামের এক নারীর সঙ্গে পরিচয় হয় নিহত আলমাসের। পরে তাদের মধ্যে পরকীয়ার সম্পর্ক গড়ে ওঠে বলে অভিযোগ রয়েছে। বিষয়টি জানাজানি হলে দাম্পত্য কলহ শুরু হয়। এ নিয়ে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে প্রায়ই ঝগড়া হতো।
স্বজনদের দাবি, বুধবার গভীর রাতে আলমাস তার স্ত্রী ও সন্তানদের ঘুমন্ত অবস্থায় রেখে শোয়ার ঘরের বাইরে থেকে আটকিয়ে পাশের কক্ষে যান। পরে সেখানে ঘরের আড়ার সঙ্গে গামছা বেঁধে গলায় ফাঁস দেন।
ঈদের দিন বৃহস্পতিবার সকালে স্ত্রী ঘুম থেকে উঠে স্বামীকে পাশে না পেয়ে খোঁজাখুঁজি শুরু করেন। একপর্যায়ে পাশের ঘরের দরজা ভেতর থেকে বন্ধ দেখতে পান। তার চিৎকারে স্থানীয় লোকজন ছুটে এসে দরজা ভাঙার চেষ্টা করেন। পরে জানালা দিয়ে উঁকি দিয়ে আলমাসের ঝুলন্ত মরদেহ দেখতে পেয়ে পুলিশে খবর দেওয়া হয়।
খবর পেয়ে বাউফল থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে সকাল ৭টার দিক দরজা ভেঙে মরদেহ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসে।
বাউফল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সিরাজুল ইসলাম বলেন, মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য পটুয়াখালী মর্গে পাঠানোর প্রস্তুতি চলছে। এ ঘটনায় থানায় একটি অপমৃত্যু মামলা হয়েছে।
আমাদের বরিশাল ডটকম -এ প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
(মন্তব্যে প্রকাশিত মত মন্তব্যকারীর একান্তই নিজস্ব। amaderbarisal.com-এর সম্পাদকীয় অবস্থানের সঙ্গে এসব অভিমতের মিল আছেই এমন হবার কোনো কারণ নেই। মন্তব্যকারীর বক্তব্যের বিষয়বস্তু বা এর যথার্থতা নিয়ে amaderbarisal.com কর্তৃপক্ষ আইনগত বা অন্য কোনো ধরনের কোনো দায় নেবে না।)
বরিশালে ঈদের জামাতে জনতার ঢল
কালবৈশাখীতে বিদ্যুৎ-বিচ্ছিন্ন বরিশালের ৪ উপজেলা, ঈদের আগে চরম ভোগান্তি
বাজেট অধিবেশন শুরু ৭ জুন : স্পিকার
ছাত্রদল নেতাদের বাধা: ফের আটকে গেল বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের সড়ক নির্মাণকাজ