Home » পটুয়াখালী » বাউফল » বাউফলে হাঁটা-চলার পথ বন্ধ করে দেওয়াসহ চার শিক্ষার্থীকে মারধরের অভিযোগ
১৭ June ২০২৬ Wednesday ৪:৫৬:০১ PM
বাউফলে হাঁটা-চলার পথ বন্ধ করে দেওয়াসহ চার শিক্ষার্থীকে মারধরের অভিযোগ
বাউফল (পটুয়াখালী) সংবাদদাতা:
পটুয়াখালীর বাউফলে হাঁটা-চলার পথে বেড়া দিয়ে পথ বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। বন্ধ ওই পথ দিয়ে হাঁটার কারণে মো. মনির হোসেন (৩৫) নামের এক ব্যক্তি চার শিক্ষার্থীকে মারধর করে আহত করেছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।
গতকাল বুধবার সকালে উপজেলার দাসপাড়া ইউনিয়নের দাসপাড়া গ্রামের ১ নম্বর ওয়ার্ডে এ ঘটনা ঘটে। মনির হোসেন দাসপাড়া গ্রামের বাসিন্দা মো. ছালাম খলিফার ছেলে। তিনি এয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জামায়াত মনোনীত প্রার্থী শফিকুল ইসলাম মাসুদের সমর্থনে নির্বাচনী কার্যক্রমে সরব ছিলেন। স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে,ওই গ্রামের নূর হোসেন মিস্ত্রী বাড়ির আটটি ঘরের লোকজনের হাঁটা-চলার কোনো পথ ছিল না। এ কারণে হাঁটা-চলার পথের জন্য ওই গ্রামের মো. মনির হোসেনের কাছ থেকে সোয়া তিন শতাংশ জমি ১ লাখ ৮০ হাজার টাকায় ক্রয় করেন ওই বাড়ির লোকজন। ওই হাঁটা-চলার পথের জমি ক্রয় বাবদ প্রায় দুই মাস আগে স্থানীয় লোকজনের উপস্থিতিতে মনির হোসেনকে ১ লাখ ২০ হাজার টাকা দেওয়া হয়। এরপর থেকে ওই বাড়ির লোকজন ওই পথ দিয়ে যাতায়াত করে আসছেন।কিন্তু দলিল দিতে কাল ক্ষেপন করছিলেন মনির হোসেন। হঠাৎ করে কয়েকদিন আগে তিনি (মনির) জানিয়ে দেন টাকা ফেরত দিয়ে দেবেন, জমি বিক্রি করবেন না। পরে ওই হাঁটা-চলার পথে জালের বেড়া দিয়ে পথ বন্ধ করে দেন মনির হোসেন। বিপাকে পড়েন ওই বাড়ির অর্ধ শতাধিক শিশু, নারী ও পুরুষ। গতকাল বুধবার সকাল সাড়ে আটটার দিকে মিস্ত্রী বাড়ির দশম শ্রেণির শিক্ষার্থী রিতা আক্তার, সপ্তম শ্রেণির শিক্ষার্থী মোছা. মারিয়া আক্তার , শিশু শ্রেণির জমজ দুই ভাই (মো. ইনসান ও মো. জিসান) ওই জালের বেড়া সরিয়ে বিদ্যালয়ে যাচ্ছিলেন। ওই সময় মনির হোসেন তাদেরকে চর-থাপ্পর মেরে আহত করেন। মারিয়া আক্তার বলে, তাদের বাড়ি থেকে বের হওয়ার একমাত্র পথে জালের বেড়া দিয়ে হাঁটা-চলার পথ বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। তারা বাধ্য হয়ে জাল সরিয়ে বিদ্যালয়ে যাচ্ছিলেন। তখন তাদেরকে মনির হোসেন মারধর করে।
এ বিষয়ে মনির হোসেন শিক্ষার্থীদের মারধরের অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন,‘স্থানীয় লোকজন তাকে জোর করে ১ লাখ ২০ হাজার টাকা ধরিয়ে দিয়েছে। তার মাছের ঘেরের পাশ দিয়ে রাস্তা দিলে ঘেরের সমস্যা হবে। এ কারণে তিনি জমি বিক্রি না করার সিদ্ধান্ত নিয়ে ওই টাকা ফেরৎ দিতে চেয়েছেন, এখনো ফেরৎ দিতে চাচ্ছেন। কিন্তু তারা টাকা নিচ্ছেন না।’
বাউফল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সিরাজুল ইসলাম বলেন,‘এ বিষয়ে কেউ কোনো অভিযোগ করেনি। লিখিত অভিযোগ পেলে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
আমাদের বরিশাল ডটকম -এ প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
(মন্তব্যে প্রকাশিত মত মন্তব্যকারীর একান্তই নিজস্ব। amaderbarisal.com-এর সম্পাদকীয় অবস্থানের সঙ্গে এসব অভিমতের মিল আছেই এমন হবার কোনো কারণ নেই। মন্তব্যকারীর বক্তব্যের বিষয়বস্তু বা এর যথার্থতা নিয়ে amaderbarisal.com কর্তৃপক্ষ আইনগত বা অন্য কোনো ধরনের কোনো দায় নেবে না।)