ভারতের সবচেয়ে গরীব মুখ্যমন্ত্রী!
আন্তর্জাতিক ডেস্ক :: হাতে আছে মাত্র ১ হাজার ৮০ রুপি। ব্যাংকে ৯ হাজার ৭২০ রুপি। স্থাবর-অস্থাবর সব মিলিয়ে সম্পত্তির পরিমাণ আড়াই লাখ রুপি। যার মধ্যে রয়েছে প্রয়াত মা অঞ্জলি সরকারের কাছ থেকে পাওয়া ৪৩২ স্কয়ার ফুট আয়তনের টিনের চালের বাড়ি। বাজার দাম ২ লাখ ২০ হাজার রুপি। ভারতের সবচেয়ে গরীব মুখ্যমন্ত্রী তিনিই। ত্রিপুরার মানিক সরকার।
আসন্ন ত্রিপুরা রাজ্যের বিধানসভা নির্বাচনে ধনপুর কেন্দ্রে প্রার্থী হিসেবে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন বৃহস্পতিবার। এর জন্য ভারতের নির্বাচন কমিশনের কাছে সম্পত্তির হিসাব পেশ করেছেন ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রী মানিক সরকার। আর তাতেই পাওয়া গেছে এই চাঞ্চল্যকর তথ্য।
একটানা তিনবারের মুখ্যমন্ত্রী মানিক সরকার রাজ্য সরকার থেকে মাসিক বেতন পান মাত্র ৯ হাজার ২০০ রুপি। যা ভারতের অন্য রাজ্যগুলোর তুলনায় সবচেয়ে কম। তাও তিনি জমা দেন পার্টি তহবিলে। সর্বসময়ের কর্মী হিসেবে পার্টি তাকে দেয় মাসিক ৫ হাজার রুপি ভাতা।
মানিক সরকারের স্ত্রী পাঞ্চালি ভট্টাচার্য কেন্দ্রীয় সরকারের অবসরপ্রাপ্ত আধিকারিক। তার রয়েছে ২৩ লাখ ৫৮ হাজার ৩৮০ রুপি স্থায়ী আমানত ব্যাংকে। অবসরের সময়ে ওই টাকা পেয়েছিলেন তিনি। আর রয়েছে ২০ গ্রাম সোনা, বাজারমূল্যে ৭২ হাজার রুপি। দুজনের কারো স্থাবর কোনো সম্পত্তিই নেই।
মুখ্যমন্ত্রীর স্ত্রী বাজার-হাট করেন হয় হেঁটে নয়তো রিকশা চড়ে। ব্যবহার করেন না সরকারি গাড়ি।
এমনকি রাজনৈতিক বিরোধীরা অন্তত মুখ্যমন্ত্রীর ব্যক্তিগত দুর্নীতি নিয়ে প্রশ্ন তোলার সাহস পাচ্ছে না। কংগ্রেস নেতা তাপস দাসের মন্তব্য, ব্যক্তিগত জীবনে তিনি অত্যন্ত সৎ।
|