পটুয়াখালীর দুমকিতে কচাবুনিয়া নদীর বেড়িবাঁধ রক্ষার দাবিতে মানববন্ধন করেছেন এলাকাবাসী। বুধবার সকাল সাড়ে ১১টায় উপজেলার পাঙ্গাশিয়া ইউনিয়নের কচাবুনিয়া নদীর পাড়ে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের শতাধিক নারী-পুরুষ এই মানববন্ধনে অংশ নেন।
স্থানীয়রা অভিযোগ করে বলেন, নদীর ভাঙন দিন দিন ভয়াবহ আকার ধারণ করছে। নামমাত্র সংস্কার করা হলেও কখনো টেকসই মেরামতের ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। ফলে আতঙ্কে রয়েছেন এলাকাবাসী। দ্রুত কার্যকর উদ্যোগ না নিলে পুরো সড়ক ভেঙে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়বে এলাকার যোগাযোগ ব্যবস্থা, কৃষক পরিবার পড়বে বড় ধরনের ক্ষতির মুখে।
স্থানীয় ইউপি সদস্য মো. আমিনুল ইসলাম বারেক বলেন, “পাঙ্গাশিয়া ইউনিয়নের কচাবুনিয়া নদীর পশ্চিমপাড়ে নেছারিয়া মাদ্রাসা থেকে পুকুরজানা বাজার সড়কের মাঝামাঝি অংশে প্রায় ৫০০ মিটার দীর্ঘ পাকা রাস্তার অর্ধেক দুই বছর আগে নদীতে ভেঙে পড়ে। বর্তমানে বাকি অর্ধেকেও ফাটল ধরেছে। নদীর তীরে পাইলিং বা সাপোর্টিং না থাকায় সাড়ে ৩ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত নতুন সড়কটি মাত্র ছয় মাসেই ভেঙে গেছে। দু’বছর পেরিয়ে গেলেও এখনো কোনো টেকসই ব্যবস্থা নেয়নি কর্তৃপক্ষ।”
তিনি আরও বলেন, “নদীর তীরে ঝুঁকিপূর্ণ স্থানে পাইল-সাপোর্ট না থাকায় জোয়ারের স্রোতে নিচের মাটি সরে গিয়ে সড়ক ধসে পড়ছে। একবার রাস্তা ভেঙে পানি ঢুকলে বসতঘর তলিয়ে যাবে, কৃষকের সর্বনাশ হবে।”
এসময় মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল মজিদ হাওলাদার, ইউনিয়ন বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মো. মনিরুল ইসলাম ও ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি মিজানুর রহমান বাবুল প্রমুখ।
পটুয়াখালী পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. রাকিব বলেন, “আমরা দ্রুততম সময়ে সরেজমিনে গিয়ে সার্ভে করব এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”
আমাদের বরিশাল ডটকম -এ প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
(মন্তব্যে প্রকাশিত মত মন্তব্যকারীর একান্তই নিজস্ব। amaderbarisal.com-এর সম্পাদকীয় অবস্থানের সঙ্গে এসব অভিমতের মিল আছেই এমন হবার কোনো কারণ নেই। মন্তব্যকারীর বক্তব্যের বিষয়বস্তু বা এর যথার্থতা নিয়ে amaderbarisal.com কর্তৃপক্ষ আইনগত বা অন্য কোনো ধরনের কোনো দায় নেবে না।)