Home » দুমকি » পটুয়াখালী » কার্গোর ধাক্কায় ভেঙে যাওয়া দুমকির সেই ব্রিজটি আজও তেমনই রয়ে গেছে
২৫ May ২০২৬ Monday ১২:৫১:০১ PM
কার্গোর ধাক্কায় ভেঙে যাওয়া দুমকির সেই ব্রিজটি আজও তেমনই রয়ে গেছে
দুমকি ((পটুয়াখালী) প্রতিনিধি:
পটুয়াখালীর দুমকি উপজেলার সরকারি লেবুখালী হাবিবুল্লাহ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের পাশ দিয়ে বয়ে যাওয়া ভাড়ানী খালের উপর নির্মিত আয়রন ব্রিজটি প্রায় তিন বছর আগে ভেঙে গেলেও মেরামত না করায় ভোগান্তিতে পরেছে বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পড়ুয়া শিক্ষার্থীসহ এলাকাবাসী। ব্রিজটি মেরামত না হওয়ায় জীবনের ঝুঁকি নিয়ে ছোট খেয়া নৌকায় পারাপার হতে হচ্ছে স্থানীয় হাবিবুল্লাহ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের কয়েক শত শিক্ষার্থীকে।
লেবুখালীর পায়রা নদী থেকে পটুয়াখালীর লাউকাঠি নদীর সাথে সংযুক্ত ভাড়ানী খালের উপর লেবুখালী হাবিবুল্লাহ সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সামনে ২০০৯ সালের দিকে তৈরি করা হয় আয়রন ব্রিজটি। বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ছাড়াও স্থানীয় লোকজন এই ব্রিজ দিয়ে পারাপার হতো। ২০১৯ সালে পণ্যবাহী কার্গোর ধাক্কায় ব্রিজটির একাংশ বিধ্বস্ত হলে শিক্ষার্থীসহ স্থানীয়রা দুর্ভোগে পড়ে ভারানি খালটি পারাপার হতে হয় খেয়া নৌকায়। কয়েক মাসের মধ্যে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি) ব্রিজটি মেরামত করলেও পুনরায় ২০২১ সালের জানুয়ারি মাসে বালুভর্তি একটি কার্গোর ধাক্কায় ব্রিজের অর্ধেক অংশ দুমড়ে-মুচড়ে খালে পড়ে যায়। তখন থেকেই দুই পারের লোকজনের যাতায়াতে দুর্ভোগ সৃষ্টি হয়।দীর্ঘ ৫ বছরেও ব্রিজটি মেরামত না হওয়ায় বিদ্যালয়ের সহস্রাধীক শিক্ষার্থী ও এলাকাবাসীকে খেয়া নৌকায় পারাপার হতে হয়।
এলাকাবাসী ও শিক্ষার্থীরা জানায়, ব্রিজটি ভেঙে যাওয়ায় জীবনের ঝুঁকি নিয়ে খেয়া পারাপার হতে হয়। মাঝে মাঝে খেয়া না থাকায় দুই কিলোমিটার পথ ঘুরে আসতে হয়। ব্রিজটি ভেঙে যাওয়ায় তাদের চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে, তাই দ্রুত একটি নতুন ব্রিজ নির্মাণ করা দরকার।
স্থানীয় আবুল বাসার বলেন, আমাদের প্রতিদিন ৩ থেকে ৪ বার ব্যবসায়িক কাজে এপার থেকে ওপার পারাপার করতে হয়। দীর্ঘ পাঁচ বছর ব্রিজটি ভাঙ্গা থাকায় আমাদের ২ কিলোমিটার ঘুরে যতে হয়।
লেবুখালী হাবিবুল্লাহ সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের একাধিক শিক্ষার্থী অভিযোগ করে বলেন, আমাদের অনেক ঝুঁকি নিয়ে খেয়া পারাপার করে স্কুলে যেতে হয়। অনেক সময় খেয়া না থাকায় আমাদের ঘুরে যেতে হয়। বিগত দুই বছর আগে ঘাটে একটি খেয়া ডুবে অনেক শিক্ষার্থী আহত হয়েছেন। তাই আমাদের সরকারের কাছে দাবি অতি দ্রুত ব্রিজটি মেরামত করা হোক না হয় নতুন একটি ব্রিজ তৈরি করে দেয়া হোক যাতে আমরা স্কুলে যেতে আসতে পারি।
এ ব্যাপারে পটুয়াখালী এলজিইডি’র নির্বাহী প্রকৌশলী মীর আলী হোসেন জানান, বিধ্বস্ত হওয়া ব্রিজটি সরিয়ে সেখানে একটি নতুন ব্রিজ নির্মাণের পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে। সেতুটির ডিজাইনের কাজ চলমান আছে, দ্রুতই টেন্ডার আহ্বান করে নতুন ব্রিজ নির্মাণ করা হবে।
আমাদের বরিশাল ডটকম -এ প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
(মন্তব্যে প্রকাশিত মত মন্তব্যকারীর একান্তই নিজস্ব। amaderbarisal.com-এর সম্পাদকীয় অবস্থানের সঙ্গে এসব অভিমতের মিল আছেই এমন হবার কোনো কারণ নেই। মন্তব্যকারীর বক্তব্যের বিষয়বস্তু বা এর যথার্থতা নিয়ে amaderbarisal.com কর্তৃপক্ষ আইনগত বা অন্য কোনো ধরনের কোনো দায় নেবে না।)