বরিশালে নদ-নদীর পানি বিপৎসীমার ওপরে, নিম্নাঞ্চল প্লাবিত
নগর প্রতিনিধি:
সাগরে সৃষ্ট লঘুচাপ ও অমাবস্যার প্রভাবে দক্ষিণাঞ্চলে মেঘনাসহ কয়েকটি নদীর পানি বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। ফলে নদী তীরবর্তী চর ও নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে।
বরিশাল পানি উন্নয়ন বোর্ডের উপসহকারী প্রকৌশলী তাইজুল ইসলাম জানান, তারা দক্ষিণাঞ্চলের নদ-নদীগুলোর ২০টি পয়েন্টে পানির উচ্চতা পরিমাপ করেন।
বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) সন্ধ্যা ৬টায় পাওয়া প্রতিবেদনে ১২টি পয়েন্টে পানির প্রবাহ বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হয়েছে।
বরিশাল নগরী ঘেষা কীর্তণখোলার বিপৎসীমা হচ্ছে ২ দশমিক ১ সেন্টিমিটার। সন্ধ্যা ৬টায় এ নদীতে প্রবাহ ছিল ২ দশমিক ৬ সেন্টিমিটারের ওপরে।সবচেয়ে বিপজ্জনক নদী মেঘনার দৌলতখান ও তজুমউদ্দিন উপজেলায় ২টি পয়েন্টের সবকটিতে পানির প্রবাহ বিপৎসীমা অতিক্রম করেছে।
বিপৎসীমা অতিক্রম করা অন্য নদীগুলো হলো- ভোলার তেঁতুলিয়া, ঝালকাঠির সুগন্ধা ও বিষখালী, পিরোজপুরের বলেশ্বর, পাথরঘাটার বিষখালী ও পটুয়াখালীর মীর্জাগঞ্জের পায়রা।
বরিশাল পানি উন্নয়ন বোর্ডের উপসহকারী প্রকৌশলী তাইজুল ইসলাম জানান, বুধবার রাতে অমাবস্যা শেষ হয়েছে। ফলে আগামী ২-৩ দিন নদ-নদীতে পানি আরো বৃদ্ধির সম্ভাবনা রয়েছে।
আমাদের বরিশাল ডটকম -এ প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
(মন্তব্যে প্রকাশিত মত মন্তব্যকারীর একান্তই নিজস্ব। amaderbarisal.com-এর সম্পাদকীয় অবস্থানের সঙ্গে এসব অভিমতের মিল আছেই এমন হবার কোনো কারণ নেই। মন্তব্যকারীর বক্তব্যের বিষয়বস্তু বা এর যথার্থতা নিয়ে amaderbarisal.com কর্তৃপক্ষ আইনগত বা অন্য কোনো ধরনের কোনো দায় নেবে না।)
বেহাল দশা বরিশালের দুই বাসটার্মিনাল
৪-৫ বছরের মধ্যে ভোলাকে মূল ভূখণ্ডের সঙ্গে যুক্ত করা হবে : নৌপরিবহনমন্ত্রী
বরিশালে ঘুস ছাড়া কিছুই হয় না ভূমি দপ্তরে
ভিত্তিপ্রস্তরের ৯ মাসেও শুরু হয়নি মীরগঞ্জ সেতুর কাজ
বরিশালে গরমের সঙ্গে লোডশেডিংয়ে বিপর্যস্ত জনজীবন, ‘আতঙ্কে’ বিদ্যুৎকর্মীরা